ফাইল ছবি
নারায়ণগঞ্জে ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, নির্বাচনী অস্থিরতা এবং জনআকাঙ্ক্ষা–ভিত্তিক পরিবর্তনের সময়কালে ২৯ নভেম্বর গণসংহতি আন্দোলন (জিএসএ)–এর পক্ষ থেকে নারায়ণগঞ্জ–০৩ আসনের মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী, জিএসএ নারায়ণগঞ্জ জেলার নির্বাহী সমন্বয়কারী এবং গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতির কেন্দ্রীয় সহ-সভাপ্রধান জননেতা অঞ্জন দাস ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নারায়ণগঞ্জ জেলা আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদের মধ্যে একটি তাৎপর্যপূর্ণ রাজনৈতিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকটি শুধু সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়-এটি ছিল বর্তমান ক্ষমতাকাঠামোর চাপ, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জনগণের উদ্বেগ এবং এলাকায় গণতান্ত্রিক পরিবেশ রক্ষার গুরুত্ব নিয়ে একটি উচ্চমাত্রার কৌশলগত মতবিনিময়।
উভয় নেতাই মনে করেন, দেশে যে রাজনৈতিক প্রতিকূলতা তৈরি হচ্ছে, সে পরিস্থিতিতে দল-মত নির্বিশেষে জনগণের নিরাপত্তা, ভোটাধিকার এবং শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক চর্চাকে অটুট রাখা এখন সময়ের দাবি। এই বৈঠক সেই দাবি পূরণে একটি সাহসী ও দায়িত্বশীল পদক্ষেপ।
অঞ্জন দাস বলেন, “জনগণ আজ পরিবর্তন চায়, ন্যায় চায়, তাদের কথা বলার স্বাধীনতা চায়। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও জনগণের স্বার্থে সকল দায়িত্বশীল শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আমরা জনগণের অধিকার রক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছি এবং যে কোনো চাপের মুখেও গণতান্ত্রিক স্বার্থ সমুন্নত রাখব।”
তিনি আরও বলেন, “নারায়ণগঞ্জ–০৩ এর মানুষের সমস্যা, বঞ্চনা ও দীর্ঘদিনের উন্নয়নহীনতার বিরুদ্ধে আমরা শক্ত রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েছি। জনগণের আশা–আকাঙ্ক্ষা পূরণে আমাদের সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে।”
অধ্যাপক মামুন মাহমুদ বলেন, “বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় উন্মুক্ত সংলাপ, বিরোধী মতাদর্শের প্রতি সহনশীলতা এবং জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা-এই তিনটি বিষয়ে কোনো আপসের সুযোগ নেই। নারায়ণগঞ্জের রাজনীতিকে সন্ত্রাসমুক্ত রাখতে দায়িত্বশীল নেতাদের সমন্বিত ভূমিকা প্রয়োজন।”
তিনি আরও বলেন, “জনগণ যেদিকে আছে, রাজনৈতিক শক্তিকেও সেদিকেই যেতে হবে। উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, তরুণদের ভবিষ্যৎ-এসব প্রশ্নে রাজনৈতিক ঐক্য জরুরি।”

