মঙ্গলবার, ২১ মার্চ ২০২৩

|

চৈত্র ৫ ১৪২৯

Advertisement
Narayanganj Post :: নারায়ণগঞ্জ পোস্ট

ভাগায় বিক্রি হচ্ছে গরু, মুরগী কেটে!

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

প্রকাশিত: ১৯:৪৯, ৭ মার্চ ২০২৩

আপডেট: ২০:০২, ৭ মার্চ ২০২৩

ভাগায় বিক্রি হচ্ছে গরু, মুরগী কেটে!

কেটে বিক্রি করা হচ্ছে মুরগী

পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জের বাজারে বেড়েছে গরু ও মুরগীর মাংসের বেচাবিক্রি। বাজারে ২৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে ব্রয়লার মুরগী। অন্যদিকে গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকা কেজি দরে।

মঙ্গলবার (৭ মার্চ) শহরের দ্বিগুবাবুর বাজার, মাসদাইর বাজারসহ বেশ কয়েকটি বাজার ঘুরে এ দৃশ্য দেখা গেছে।

এদিকে বাজার ঘুরে ক্রেতাদের সাথে কথা বলে তাদের মাঝে পাওয়া গেছে তীব্র ক্ষোভ। সন্তানদের প্লেটে মাংসের টুকরো তুলে দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে নিন্ম আয়ের মানুষদের।

বাজার করতে আসা ফকির গার্মেন্টসের ল্যাব ইনচার্জ হিমেল বলেন, গরুর মাংস কিনতে এসেছিলাম। দাম অনেক বেশি। বাড়িতে মানুষ ৬ জন। এক কেজি গরুর মাংস দিয়ে কী আর হবে। তাই মুরগী কিনলাম।

বাজারের গরুর মাংসের দোকানগুলোতে ঘুরে দেখা যায় কেজির বদলে ''ভাগা'' হিসেবে বিক্রি হচ্ছে গরুর মাংস। এসব দোকানে সর্বনিম্ন আড়াইশ গ্রাম থেকে মাংস বিক্রি করতে দেখা গেছে।

বাজারে ব্রয়লার মুরগী বিক্রি হচ্ছে ২৪০ টাকা কেজি দরে। এছাড়াও সেনালি মুরগী ৩৫০ টাকা ও লাল মুরগী ২৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পাড়া মহল্লার মুরগীর দেকানগুলোতে কসাইর দোকানের মত কেটে বিক্রি করা হচ্ছে মুরগী।

বিক্রেতারা জানান, দাম বেশি হওয়ায় অনেক ক্রেতাই ছোট সাইজের মুরগী চান। তাদের সুবিধার্থেই ব্রয়লার মুরগীগুলো কেটে বিক্রি করছি।

শহরের মাসদাইর বাজার এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে আরেক বিরল দৃশ্য। মুরগীর দোকানের চেয়ে বেশি ভিড় ছিল মুরগীর চামড়া, মাথা, পা, কলিজা, গিলাসহ ইত্যাদি বিক্রির দোকানে। স্থানীয়দের ভাষায় ''মুরগীর লাড়াবাড়া'' বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকা কেজি দরে। কিছুদিন আগেও ১শ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও মানুষ তা কিনতে আগ্রহী ছিলেন না। 

বাজার করতে আসা গৃহকর্মী রাবেয়া খাতুন বলেন, মুরগী গরুর দাম অনেক বেশি। তাই গিলা, কলিজা কিনছি।

মুরগী বিক্রেতা মিলন জানান, দাম অনেক বেশি। বেশি দামে কিনতে হচ্ছে তাই আমরাও বেশি দরে বিক্রি করছি।