শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪

|

আষাঢ় ৭ ১৪৩১

Advertisement
Narayanganj Post :: নারায়ণগঞ্জ পোস্ট

আওয়ামীপন্থী আইনজীবীদের বাধায় বিএনপির দোয়া অনুষ্ঠান পণ্ড

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

প্রকাশিত: ১৬:১৬, ৫ জুন ২০২৩

আওয়ামীপন্থী আইনজীবীদের বাধায় বিএনপির দোয়া অনুষ্ঠান পণ্ড

আওয়ামীলীগপন্থী আইনজীবীদের বাধায় পণ্ড দোয়া অনুষ্ঠান

নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪২ তম শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের দোয়া অনুষ্ঠান আওয়ামীলীগপন্থী আইনজীবীদের বাধায় পণ্ড হয়ে গেছে।

সোমবার (৫ জুন) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ বার ভবনের নিচ তলায় এ দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা দোয়া অনুষ্ঠান করার সময় বার ভবনের উপরে নামাজ হচ্ছে জানিয়ে আওয়ামীলীগপন্থী এক আইনজীবী অনুষ্ঠানস্থলে এসে মাইকের তার খুলে ফেলেন। এ নিয়ে শুরু হয় উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা। এ সময় বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা তার ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েন এবং কেন তিনি এ কাজ করলেন এজন্য তর্কে জড়িয়ে যান।

এর মধ্যে এক পর্যায়ে বিএনপিপন্থী আইনজীবী ও আওয়ামীলীগপন্থী আইনজীবীরা উপস্থিত হন এবং তর্কে জড়িয়ে পড়েন। প্রায় ৩০ মিনিট ধরে চলে এ লঙ্কাকাণ্ড। পরে আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট হাসান ফেরদৌস জুয়েল ও সাধারণ সম্পাদক মো. মহসিন পরিস্থিতি ঠান্ডা করেন। তবে পূর্বানুমতি না থাকায় আইনজীবী সমিতির নিচ তলায় কর্মসূচি পালন করতে দেওয়া হয়নি।

এদিকে কর্মসূচি করতে না পেরে ক্ষোভে চলে যান বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা।

জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ও মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, আমাদের অনুষ্ঠান চলার সময় আমাদেরর মাইক বন্ধ করে দিয়েছে তারা। এর মধ্যে তারা বাধা দিয়ে এখানে আমাদের কর্মসূচি হতে দেবে না বলে জানায়। জুয়েল মহসিনসহ তারা এসে আমাদের কর্মসূচি পণ্ড করে দিয়েছে। আইনজীবীদের স্থান এটি, এখানে আইনজীবীদের কর্মসূচি পালন করতে আবার কিসের অনুমতি। এখানে তো তাদের সব নেতাদের দোয়া মিলাদসহ নানা কর্মসূচি আলোচনা সভা হয়। তাহলে আমাদের ক্ষেত্রে কেন বাধা।

নামাজের সময়ে অনুষ্ঠানের অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা অনুষ্ঠান শুরু করেছি পৌনে ২টার পর। নামাজ হয়ে যায় সোয়া ১টার পর। এ ধরনের অভিযোগ মিথ্যা।

জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো, মহসিন জানান, এখানে অনুষ্ঠানের ব্যাপারে কোনো অনুমতি নেওয়া হয়নি। এ ব্যাপারে আমাদের জানানোও হয়নি। উচ্চস্বরের শব্দে নামাজের সময় মাইক বাজানোয় হুজুর না করলে তারা না শুনলে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে যেন আর কোনো ধরনের বিব্রতকর পরিস্থিতি না হয় সেজন্য এখানে অনুষ্ঠানটি বাতিল করা হয়।