জোনায়েদ সাকি
অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ও গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেছেন, আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে। অর্থনীতিকে খাদের কিনারায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। শিক্ষা স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানের মাধ্যমে মানুষের জীবনের উন্নতি আনাটাই হবে প্রধান লক্ষ্য। বর্তমান সরকার কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ডসহ নানা সামাজিক সুরক্ষার ঘোষণা বাস্তবায়নের জন্য উদ্যোগ নিয়েছে। মানুষকে স্বস্তি দেয়াই এ সরকারের প্রথম লক্ষ্য।
শনিবার (৭ মার্চ) নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর গণসংহতি আন্দোলনের ইফতার মাহফিলে অংশ নিয়ে একথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, নির্বাচিত প্রতিনিধিরা জনগণের কাছে জবাবদিহিতা করবে এমন একটি ব্যাবস্থা আমরা চেয়েছিলাম। সেই জায়গাটা লড়াইয়ের কেন্দ্র ছিল। এর ভিত্তিতে আমরা এক দফা তৈরি করেছিলাম। বহু মানুষ এই লড়াইয়ে জেল, জুলুমের শিকার হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, নারায়ণগঞ্জ ফ্যাসিস্টদের শাসনের একটি উদাহরণ ছিল। এরপর জুলাই আগষ্টের গণঅভ্যুত্থান আসলো। রাজনৈতিক দলগুলো সংগ্রামের যে পাটাতন তৈরি করেছিল। তার উপর দাঁড়িয়ে একটি গণঅভ্যুত্থান হল। আমাদের হাজারও ছাত্র জনতা এই গণ-অভ্যুত্থানে প্রান দিয়েছে। তারা বাংলাদেশকে নতুন করে গড়ে তোলার সুযোগ করে দিয়েছে। আমরা নির্বাচন করেছি। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা সরকার গঠন করেছি।
এখানে সরকারি দল ও বিরোধী দলের সদস্যরা আছে। সকলকে মিলে দেশটাকে গড়ে তুলতে হবে। আমরা বৈরি আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে আছি। আমাদের সামনে নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ আসছে। এই মুহুর্তে আমাদের দরকার ধৈর্য্য ও ঐক্য। এই বৈরি পরিস্থিতিতে দেশকে কীভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে এ ব্যাপারে সরকার সচেষ্ট আছে।
নারায়ণগঞ্জ বাংলাদেশের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। এটি প্রাচীন একটি শহর। নারায়ণগঞ্জ সবসময় গুরুত্বপূর্ণ জায়গা ছিল। নারায়ণগঞ্জের যে পরিবর্তন প্রয়োজন ছিল তা হয়নি। দলীয় দ্বন্দ্ব ও খুনোখুনি ছিল এখানে। কীভাবে ত্বকীর মত মেধাবী ছাত্রকে হত্যা করা হল আপনারা দেখেছেন। এভাবে নারায়ণগঞ্জে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করা হয়েছিল।
তিনি বলেন, নারায়ণগঞ্জে একটি ভাল হাসপাতালও নেই। নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের নতুন প্রশাসক নিয়োগ করা হয়েছে। শহরের ট্রাফিক ব্যাবস্থাপনাসহ এসকল বিষয়গুলোর বিষয়ে ব্যাবস্থা নিয়ে এবং পরিকল্পনা তৈরি করতে হবে কীভাবে এর দীর্ঘমেয়াদী সমাধান আমরা করতে পারি।

