ফাইল ছবি
তীব্র গরমের মধ্যে শনিবার দিনভর বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন নারায়ণগঞ্জ শহর ও আশপাশের এলাকার বাসিন্দারা। সকাল থেকে বিদ্যুৎ না থাকায় ঘরোয়া জীবনযাত্রার পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্যেও ব্যাপক প্রভাব পড়ে। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েন শিশু, বৃদ্ধ ও কর্মজীবী মানুষ।
রোববার (৭ জুন) শহরের চাষাঢ়া, দেওভোগ, মাসদাইরসহ বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে এ দৃশ্য দেখা গেছে।
জানা গেছে, শীতলক্ষ্যা ১৩২ কেভি গ্রিড উপকেন্দ্রে লাইন ত্রুটি দেখা দেওয়ায় ওই কেন্দ্রের আওতাধীন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। উপকেন্দ্রটি পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি)-এর অধীন হওয়ায় ত্রুটি মেরামতের কাজও তাদের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছিল।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শহরের চাষাঢ়া, উকিলপাড়া, গলাচিপা, কালিরবাজার, আমলাপাড়া, টানবাজার, কাশীপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় সকাল থেকেই বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় অনেক এলাকায় পানির সংকটও দেখা দেয়। পূর্ব ঘোষণা না থাকায় বাসিন্দারা প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে পারেননি বলে অভিযোগ করেন।
শজরের চাষাঢ়া এলাকার মোবাইল শোরুমের মালিক ফাহাদ আলী জানান, সকালে দোকানে গিয়ে দেখি বিদ্যুৎ নেই। গরমে দোকানে বসে থাকা কঠিন হয়ে পড়েছে। বিকেল চারটায় বাড়ি চলে এসেছি। এখন বিদ্যুৎ আসেনি।
মাসদাইর এলাকার বাসিন্দা অর্নব জানান, সকাল থেকে বিদ্যুৎ নেই। টালকির পানিও শেষ হয়ে গেছে। পানি ছাড়া বেশ ঝামেলায় পোহাতে হচ্ছে।
ডিপিডিসির পূর্ব কিল্লারপুর কার্যালয়ের নারায়ণগঞ্জের প্রধান প্রকৌশলী (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. কামাল হোসেন জানান, মূলত ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের ঘাটতির কারণে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল।
তিনি বলেন, বিদ্যুৎ সরবরাহে ঘাটতি থাকায় কিছু এলাকায় লোডশেডিং করতে হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে এবং সব এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরায় চালু হচ্ছে।

