মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪

|

আষাঢ় ৩১ ১৪৩১

Advertisement
Narayanganj Post :: নারায়ণগঞ্জ পোস্ট

নারায়ণগঞ্জে ককসিট কারখানায় ডাকাতি, ২৫ লাখ টাকার মালামাল লুট

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

প্রকাশিত: ১৭:২৮, ১৯ জুন ২০২৪

নারায়ণগঞ্জে ককসিট কারখানায় ডাকাতি, ২৫ লাখ টাকার মালামাল লুট

ফাইল ছবি

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে আয়েশা ইপিএস ইনসুলেশন লিমিটেড নামক একটি ককসিট কারখানায় ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। 

মঙ্গলবার (১৮ জুন) দিবাগত রাত আড়াইটায় বন্দর থানার লক্ষনখোলা  মাদ্রাসা সংলগ্নস্থ উল্লেখিত প্রতিষ্ঠানে এ ডাকাতির ঘটনাটি ঘটে। এসময় অজ্ঞাত মুখুশধারী ১০/১২ জনের ডাকাত দল কারখানার দারোয়ারদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে হাত-পা বেধে বেদম মারধর করে সিকিউরিটি গার্ড রুমে আটকে রেখে মেশিন ও ক্যাবলসহ মূল্যবান জিনিসপত্র পিকআপ ভ্যানে তুলে নিয়ে পালিয়ে যায়।

কারখানার সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায়, ডাকাতদল কারখানায় প্রবেশ করেই দারোয়ানদের রুমে প্রবেশ করে এবং অন্যরা কারখানার ভিতরে গিয়ে মেশিন ও ক্যাবল কেটে নিয়ে পিকআপ ভ্যানে তুলে নিয়ে চলে যায়। প্রায় আধাঘন্টা ব্যাপী ডাকাতদল কারখানায় তান্ডব চালায়।

এ ব্যপারে কারখানার মালিক মোঃ কামাল হোসেন বলেন, ভোরে নামাজ আদায় করতে ঘুম ভাঙ্গলে স্থানীয় মেম্বার ফোনে জানায় আমার কারখানায় ডাকাতি হয়েছে। আমি নামাজ আদায় করে লোকজন নিয়ে কারখানায় এসে দারোয়ানদের হাত-পা বাঁধা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখি। আমি তাদের হাত-পায়ের বাঁধন খুলে তাদের উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে পুলিশে খবর দেই। পুলিশ এসে কারখানায় ডাকাতির ঘটনা তদন্ত করে। ডাকাতরা প্রায় ২৫ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে গেছে।

এ ব্যপারে দারোয়ান ইউসুফ আলী ও দারোয়ান আফিজ মিয়া জানান, তারা রাত ২টার পরও কারখানার অভ্যন্তরে ঘুরে এসে গার্ড রুমে প্রবেশ করেন। কিছুক্ষন পর মুখোশধারী ৩জন ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাদের গলায় ছুরি ধরে রেখে তাদের কাছ থেকে চাবি ছিনিয়ে নেয়। পরে ডাকাতরা তাদের হাত-পা বেঁধে রেখে মারধর করে। তারা প্রাণের ভয়ে চিৎকার দিতে পারেনি। ডাকাতরা গেট খুলে কারখানায় একটি গাড়ি প্রবেশ করিয়ে তাতে মালামাল নিয়ে যায়।

এ ব্যপারে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তফা বলেন, সংবাদ পেয়ে পুলিশ পাঠিয়েছি। এ ঘটনায় মামলা নেয়া হচ্ছে। সেই সাথে পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তার অভিযান অব্যাহত রেখেছে। 

 

ঘটনাস্থলে যাওয়া থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) বিল্লাল হোসেন বলেন, আমি এসে সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছি এবং কি কি মামলামাল নিয়ে গেছে তা তদন্ত করছি। মামলা রুজু হওয়ার পর আরো পদক্ষেপ নেয়া হবে।