ফাইল ছবি
ঈদের বাকি আর মাত্র দুই দিন। সরকার ঘোষিত টানা সাত দিনের ছুটির আজ দ্বিতীয় দিন। সাধারণত এই সময়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের শিমরাইল মোড়ে ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড় থাকার কথা থাকলেও এবারের চিত্র ভিন্ন।
মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বাড়লেও কাউন্টারগুলোতে যাত্রীর দেখা মিলছে না বললেই চলে। ফলে অনেকটা অলস সময় পার করছেন টিকিট মাস্টার ও পরিবহন শ্রমিকরা।
বুধবার (১৮ মার্চ) সরেজমিনে শিমরাইল মোড় এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, বিভিন্ন পরিবহনের টিকিট কাউন্টারগুলো প্রায় ফাঁকা। যেখানে বিগত বছরগুলোতে টিকিট পেতে যাত্রীদের দীর্ঘ লাইন দেখা যেত, সেখানে এবার টিকিট মাস্টাররা বসে গল্প করে সময় কাটাচ্ছেন।
সোহাগ পরিবহনের কাউন্টার ম্যানেজার মোহাম্মদ মনির হোসেন বলেন, অন্যান্য ঈদের তুলনায় এবার যাত্রীর চাপ অনেক কম। আমরা সকাল থেকে প্রায় বসেই আছি। যাত্রী নেই বললেই চলে।
একই সুরে কথা বললেন তিশা পরিবহনের কাউন্টার মাস্টার মারুফ। তিনি জানান, যাত্রী সংকটের কারণে তারা চরম অলস সময় পার করছেন।
যাত্রী কম হলেও মহাসড়কে যানবাহনের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে। তবে শিমরাইল মোড়সহ মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জ অংশে এখন পর্যন্ত কোনো যানজট বা ভোগান্তির সৃষ্টি হয়নি। নির্বিঘ্নে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেন যাত্রীরা।
শিমরাইল হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ জুলহাস উদ্দিন জানান, ঈদযাত্রায় মানুষের নিরাপত্তা ও ভোগান্তি এড়াতে তারা কঠোর অবস্থানে রয়েছেন। তিনি বলেন, সাইনবোর্ড থেকে মেঘনা সেতু এলাকা পর্যন্ত আমাদের ১২৪ জন পুলিশ সদস্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। মানুষের জানমালের নিরাপত্তায় আমাদের কোনো গাফিলতি নেই। আশা করছি এবার ঈদে যাত্রীদের কোনো রকম যানজটের ভোগান্তিতে পড়তে হবে না।

