ফাইল ছবি
নারায়ণগঞ্জ বন্দরে "পুলিশের শেল্টারে ৫০ মাদক স্পটে রমরমা ব্যবসা" শিরোনামে বিভিন্ন অনলাইন পোর্টাল ও গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর ৩ দারোগাকে থানা থেকে বদলী করা হয়েছে।একইসাথে নড়েচড়ে বসেছেন পুলিশ প্রশাসন।
বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যবহুল সংবাদ প্রকাশের পর ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে নেটিজেনরা পুলিশের ভাবমূর্তি ও ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।এমন পরিস্থিতিতে নিজেদের অপকর্ম ঢাকতে নানা রকম ছলচাতুরীর আশ্রয় নিতে চেষ্টা করছেন তারা।এ যেনো "শাক দিয়ে মাছ ঢাকার মত ঘটনা।
বদলী হওয়া পুলিশ কর্মকর্তারা হলেন - এসআই মনির হোসেন, এসআই শহিদুল ইসলাম ও এসআই ফারুক।অপর এসআই ইদ্রিস ও মোতালেব কে ১/২ দিনের মধ্যে থানা থেকে সিসি দেওয়া হবে বলে জানা যায়।
অভিযোগ রয়েছে, মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে তাদের পক্ষে সাফাই করে ‘ভিত্তিহীন’ সংবাদ দাবি করে প্রচার করানোর অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে এলাকার সচেতন মহল ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান,থানার এসব অসাধু অফিসারদের ছত্রছায়ায় মাদক কারবারিরা বীরদর্পে ব্যাবসা চালিয়ে যাচ্ছে।ফলে মাদকের ভয়াল থাবায় ধ্বংসের দিকে যাচ্ছে যুবসমাজ।
সচেতন মহলের দাবী, খবরে যে ক'জন অফিসারের বিরুদ্ধে মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ উঠেছে তা শতভাগ সত্য। মূলত দায়িত্বশীল পুলিশিং না থাকায় এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, দুর্নীতিবাজ অফিসারেরা নিজেদের যতই ‘সাধু’ সাজানোর চেষ্টা করুক না কেন তাদের মাদক সিন্ডিকেটের বিষয়টি এখন ওপেন সিক্রেট। মাদকের মরণব্যাধি থেকে রক্ষা করতে এবং পুলিশের ভাবমূর্তি ফিরিয়ে আনতে অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিভাগীয় তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।
থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো.আনিসুর রহমান ৩ অফিসারের কদলীর বিষয় নিশ্চিত করে বলেন, যেকোন অপরাধের সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে।তথ্যপ্রমাণ পাওয়া গেলে অবশ্যই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার "খ" সার্কেল দীপংকর ঘোষ জানান,গণমাধ্যম প্রকাশিত সংবাদের বিষয়ে খোঁজ নেইয়া হচ্ছে।মাদকের সংশ্লিষ্টতার প্রমান পাওয়া গেলে প্রত্যেকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।

