মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪

|

আষাঢ় ৩১ ১৪৩১

Advertisement
Narayanganj Post :: নারায়ণগঞ্জ পোস্ট

পুলিশ প্রশাসন না থাকলে কাপড় ভিজে যায়, শামীম ওসমানকে সাকি

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

প্রকাশিত: ২৩:১০, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩

পুলিশ প্রশাসন না থাকলে কাপড় ভিজে যায়, শামীম ওসমানকে সাকি

জোনায়েদ সাকি

গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেছেন, খাদিজাতুল কোবরা নামের এক মেয়েকে আটক করেছে৷ তার জামিন চাওয়া যাবে না এমন রায় আদালত দিয়েছে। কীভাবে দশম শ্রেনীর এক শিক্ষার্থীকে ফেসবুক স্ট্যাটাসের কারনে ধরে এনেছে। সাইবার আইন কিছুই বদলায়নি। এই পরিবর্তন একটা লোক দেখানে পরিবর্তন। এই আইন করা হয়েছে ত্রাস সৃষ্টি করার জন্য। পুলিশের হাতে লাগামহীন ক্ষমতা দেয়া হয়েছে এই আইনে। 

শুক্রবার (১৫ সেপ্টেম্বর) নারায়ণগঞ্জের চুনকা পাঠাগারে ৩১ দফা দাবীতে গণসংহতি আন্দোলনের আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে একথা বলেন তিনি। 

শামীম ওসমানকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, এখানকার একজন সংসদ সদস্য  তিনি কত কথা বলেন। আমরা দেখেছি এই নারায়ণগঞ্জে কীভাবে গুম খুন হয়। কীভাবে লাশ হয়ে পড়ে থাকে। এখাবেই তারা খেলবেন, গোল দিবেন। আর বিরোধীদের খেলার মাঠেই ঢুকতে দিবেন না৷ পুলিশ প্রশাসন না থাকলে তাদের কাপড় ভিজে যায়।

তিনি আরও বলেন, ওবায়দুল কাদের বলেছে প্রধানমন্ত্রীর সেলফি দেখে কী বলবেন। বিএনপি মহাসচিব এর ভাল একটা উত্তর দিয়েছেন। তিনি বলেছেন সেলফি লাগায় নিয়ে ঘুরে বেড়ান। এখন তিনি আবার আটলান্টিক পাড়ি দিয়ে আমেরিকা যাচ্ছেন। তার বিদেশ সফর দেশের স্বার্থে না নিজের স্বার্থে তা আজ মানুষ বুঝে গেছে।

তিনি বলেন, ওরা বলে ২০১৪ ও ২০১৮ সালের মত ভোট করবো না। ২০১৮ সালে আগের রাতে ভোট কেন, বিএনপি নাকি প্রতি আসনে তিন চারজন প্রার্থী দিয়েছে। বিএনপি প্রচারে নামেনি। তাই অতি উৎসাহী কর্মীরা আগের রাতে ভোট দিয়ে দিয়েছে। সবাই তারা এই রাতের ভোট নিয়ে একথাই বলেছে।

তিনি বলেন, গাইবান্ধায় নির্বাচন কমিশন ভোট বন্ধ করেছে। কেন, সেখানে কয়েকটি কেন্দ্রে ভোট চুরি ধরা পড়েছে। এরপরও সে নির্বাচন তারা বাতিল করতে পারেনি। জাতীয় নির্বাচনের সময় এতগুলো কেন্দ্র। এগুলো তো এভাবে দেখা বা সামলানো সম্ভব না। তারা পাঁচটা কেন্দ্র দেখবে বাকি কেন্দ্রে ভোট ডাকাতি হবে৷ এটা হল তাদের দিনের বেলা ভোট ডাকাতির পরিকল্পনা। 

একটা ত্রাস সৃষ্টি করে তারা পার হয়ে যেতে চায়৷ এমন ফ্যাসিস্ট অবস্থায় বাংলাদেশ এগুতে পারে না। এখন সরকারকে কারা ক্ষমতায় টিকিয়ে রেখেছে। রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তারা দলীয় স্বার্থে ব্যাবহার করছে। এদের অবাধ লুটপাটের সুযোগ দিয়ে দিয়েছে। তারা সরকারের লুটপাটের ভাগিদার। আপনারা খবরে দেখেছেন আমলাদের পরিবার পরিজন বিদেশে আছে। সেখানে তাদের বাড়ি গাড়ি সব আছে। 

তিনি আরও বলেন, এখন ডিসি এসপি সবাই বলছে আওয়ামী লীগকে ভোট দিতে হবে৷ এই ব্যাবস্থা না বদলালে কী নির্বাচন হবে। এ সিন্ডিকেট না বদলালে খারাপ অবস্থা হবে। আমরা ভূরাজনৈতিক অবস্থানে আছি। এখানে বাংলাদেশকে টিকে থাকতে হলে দেশের ভেতরে একটা গণতান্ত্রিক ব্যাবস্থা খুবই জরুরি। সেখানে সরকার নিজের স্বার্থে দেশের সকল বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের রাজনীতি থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছে।