পেট্রোল পাম্প গুলোতে অভিযান
নারায়ণগঞ্জে জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলাজুড়ে পেট্রোল পাম্প গুলোতে অভিযান পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন।
শনিবার (৭ মার্চ) নারায়ণগঞ্জ সদর, সিদ্ধিরগঞ্জ, ফতুল্লা থানা, রূপগঞ্জ ও বন্দর উপজেলায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
সকালে ফতুল্লার প্রাইম ফিলিং স্টেশন, চৌরঙ্গী ফিলিং স্টেশন ও ফিরোজ ফিলিং স্টেশন পরিদর্শন করে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত।
পরিদর্শনকালে দেখা যায় প্রাইম ফিলিং স্টেশন ও চৌরঙ্গী ফিলিং স্টেশন নির্ধারিত সীমার মধ্যে জ্বালানি বিক্রয় করছে। তবে সকল ক্রেতাকে বিক্রয় রশিদ প্রদান করা হচ্ছে না। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সরকার নির্ধারিত সকল বিধি-বিধান মেনে জ্বালানি বিক্রয় করা এবং প্রতিটি ক্রেতাকে বিক্রয় রশিদ প্রদান নিশ্চিত করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। অন্যদিকে ফিরোজ ফিলিং স্টেশনটি গত কয়েকদিন ধরে বন্ধ রয়েছে বলে পরিদর্শনকালে জানা যায়।
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তারিফ আল তাওহীদ জানান, অভিযানে উপস্থিত ভোক্তাদের সাথে কথা বলে কোনো ধরনের অভিযোগ পাওয়া যায়নি। যদিও কিছু ভোক্তার অতিরিক্ত জ্বালানি সংগ্রহের প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে, তবুও নির্ধারিত সীমার মধ্যেই জ্বালানি সরবরাহ করা হচ্ছে।
এছাড়াও সকালে বন্দর উপজেলার মোট ১০টি পেট্রোল পাম্পে পুলিশসহ অভিযান পরিচালনা করে বন্দর উপজেলা প্রশাসন।
বন্দর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান জানান, অভিযানে স্টক রেজিস্টার যাচাই করে তথ্যের মিল পাওয়া যায়। কোন জরিমানা করা হয়নি। খোলা তেল বিক্রি নিষেধ করা হয়। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী তেল মজুদ ও বিক্রয়ের নির্দেশনা দেওয়া হয়। সবগুলো পাম্পই সচল পাওয়া যায়।
এছাড়াও নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার সিদ্ধিরগঞ্জ ও ফতুল্লা ইউনিয়নের বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় স্টক রেজিস্টার যাচাই করে তথ্যের মিল পাওয়া যায়। ফলে কোন পেট্রোল পাম্পকে জরিমানা করা হয়নি।
এসময় খোলা তেল বিক্রয় করতে পাম্পগুলোকে নিষেধ করা হয়। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী তেল মজুদ ও বিক্রয়ের নির্দেশনা দেওয়া হয়। এসময় ৩টি পাম্প জ্বালানি শূন্য থাকায় বন্ধ পাওয়া যায়।
রূপগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশন পরিদর্শন করে বিক্রয় স্লিপ ও স্টক যাচাই করা হয়। এসময় যানবাহনের প্যানিক বায়িং প্রবণতা লক্ষ্য করা গেলেও সরকার নির্ধারিত তেলের পরিমাণ বিক্রয়ের ব্যাপারে পাম্প মালিকদের অবগত পাওয়া গেছে। এসময় পাম্পগুলোকে সতর্ক করা হয় এবং খোলা বাজারে তেল বিক্রি নিষেধ করা হয়।

