শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪

|

আষাঢ় ৭ ১৪৩১

Advertisement
Narayanganj Post :: নারায়ণগঞ্জ পোস্ট

সেই নেতা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে ভয় পায়: দীপ 

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

প্রকাশিত: ২২:১৫, ২৯ আগস্ট ২০২৩

সেই নেতা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে ভয় পায়: দীপ 

আলোচনা সভা

সোনারগাঁও উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম মোবারক হোসেন স্মৃতি সংসদের চেয়ারম্যান এরফান হোসেন দীপ বলেছেন,"সোনারগাঁয়ের চিত্রটা ব্যতিক্রম। আমি সোনারগাঁওয়ের একজন সাবেক সংসদ সদস্যর পুত্র। আমি কিছু দিন আগে লক্ষ্য করলাম। সোনারগাঁ উপজেলা আওয়ামীলীগের কমিটি প্রস্তাব করা হলো। এখান থেকে আমার নাম দেয়া হয় নাই, আমার কোনো আক্ষেপ নাই। আমি কাউকে এ বিষয়ের জন্য আক্ষেপ জানাই নাই আমার নামটা কেনো দেয়া হলো না। কারণ আমি তাদের উপর আস্থা রাখতে চেয়েছি যদি আমি যোগ্য হই, তাহলে আমার নাম প্রস্তাব করবেন। যদি যোগ্য না হই নাম প্রস্তাব করবেন না।"

মঙ্গলবার (২৯ আগস্ট) সকাল ১১ ঘটিকায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম মোবারক হোসেন স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে  বঙ্গবন্ধুর ৪৮ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে মোগড়াপাড়া বাসস্ট্যান্ডে আলোচনা সভা, দোয়া ও গণভোজের আয়োজনে সভাপতির বক্তব্যে তিনি ওসব কথা বলেন। 

দীপ বলেছেন, "আমি মাথা পেতে নিয়েছি, আমি চেয়েছি যারা এখানে যারা সিনিয়র নেতৃবৃন্দ আছেন,তারা কমিটিতে আসবেন কমিটিতে চলবে। আমি কমিটিতে নাও থাকি, আমার কিছু যায়-আসে না। আমি নেত্রীর একজন ক্ষুদ্র কর্মী হিসেবে কাজ করব। সোনারগাঁও উপজেলা আওয়ামীলীগ কমিটি গঠিত হবে প্রস্তাবনা কমিটিতে নাম দিয়েছে। সেখানেও আমার নাম প্রস্তাব করা হয়নাই, আমার আক্ষেপ নাই। জেলা আওয়ামীলীগ ও সোনারগাঁও আওয়ামিলীগের কোনো নেতৃত্ববৃন্দ বলতে পারবে না। কারো কাছে কখনও কোনো আক্ষেপ জানিয়েছি, কমিটির ব্যাপারে। আমি এটা প্রকাশ্যেই বললাম। কষ্টের কথা গুলা বলতে হয় এজন্য যদি কমিটি নিয়ে বিতর্ক তৈরি না হতো তাহলে আজকে এ কথা গুলা আসতো না। আমি এ মঞ্চ থেকে বলতে চাই,  এ কথা গুলো কিন্তু আমি কমিটিতে আসার জন্য বলছি না। আমার নাম জেলা আওয়ামীলীগ ইতোমধ্যে অনুমোদন করে দিয়েছে সোনারগাঁও উপজেলা আওয়ামীলীগের জন্য। "

তিনি  বলেছেন "নেত্রী কিছুদিন আগে বিশেষ বর্ধিত সভায় তার গনভবনে বলেছেন, সবাই ঐক্য বদ্ধ ভাবে কাজ কর। উপজেলা আওয়ামীলীগের সৌন্দর্য্যটা এখানে থাকতো যদি সকলকে দাওয়াত দিয়ে সকলকে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করার সুযোগ করে দিতো। এখন আমি যদি ক্ষুদ্র কর্মী হিসেবে সোনারগাঁও আওয়ামিলীগে ভূমিকা রাখতে না পারি, তাহলে আমাদের জন্য কত কষ্টকর। এ জিনিসটা হচ্ছে কেনো। সাধারণত পোস্টার ফেস্টুন লাগানো হয় প্রচারণার জন্য। আমি লক্ষ্য করলাম,  প্রথম থেকেই আমার লাগানো পোস্টার-ফেস্টুন ছিড়ে ফেলা হয়। আমি কোথাও আক্ষেপ করি নাই, কোথাও অভিযোগ করি নাই। কিন্তু আমি চিন্তা করলাম যে আমার পোস্টার-ফেস্টুনটা ছিড়ে। সে তো আওয়ামিলীগের রাজনীতিই করে। কারণ এটা প্রমাণিত কে ছিড়েছে, এটা সবাইই জানে। "

তিনি আরোও বলেছেন, "আমাকে যদি পছন্দ না হয় অথবা যদি সেই নেতা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে ভয় পায়, যে আমি যদি খালি মাঠ না পাই, গোল দিতে পারবা না। একদম খালি মাঠ থাকবে একমাত্র মনোনয়ন প্রত্যাশিত আমিই থাকব, এরকম যদি চিন্তা ভাবনা থাকে। আমার চেহারার ভেতর চুলকানি দিয়ে দিত,  আমার দুঃখ লাগতো না। যেই ফেস্টুনের মধ্যে জাতির পিতার ছবি থাকে, আমার নেত্রী শেখ হাসিনার ছবি থাকে সে ফেস্টুন কোন সাহসে ছিড়লো। সে কি আওয়ামীলীগের, আমার প্রশ্ন? যদি সংসদ সদস্য হওয়ার আগে জাতির জনককে অবমাননা করে নেত্রীকে অবমাননা করে। সে নেতা সংসদ সদস্য হওয়ার পরে ওই নেতা কি করতে পারে মানুষের দাথে সেটা আপনাদের কাছে বিচার দিলাম। "

এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে  উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি জনাব আব্দুল হাই। আরো উপস্থিত ছিলেন সোনারগাঁও উপজেলা আওয়ামীলীগের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃত্ববৃন্দ।