শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬

|

শ্রাবণ ১৫ ১৪৩৩

Advertisement
Narayanganj Post :: নারায়ণগঞ্জ পোস্ট

আড়াইহাজারে গাঁজাসহ পুলিশের দুই সোর্সকে আটক করল জনতা

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

প্রকাশিত: ১৫:২৩, ৩১ জুলাই ২০২৬

আড়াইহাজারে গাঁজাসহ পুলিশের দুই সোর্সকে আটক করল জনতা

ফাইল ছবি

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে ৫০ গ্রাম গাঁজাসহ জনতার হাতে দুই যুবক আটক হওয়ার পর নতুন বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। 

স্থানীয়দের দাবি, আটককৃতরা আড়াইহাজার থানার এক কর্মকর্তার সোর্স হিসেবে কাজ করতেন। তাদের ব্যবহার করে নিরীহ মানুষকে মাদক মামলায় ফাঁসানো ও হয়রানি করার অভিযোগ তুলে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন এলাকাবাসী।

​পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বুধবার (৩০ জুলাই) রাত ৯টার দিকে উপজেলার রামচন্দ্রী এলাকার হাজী ইজ্জত আলীর বাড়ির সামনের পাকা সড়ক থেকে মামুন (৩০) ও সানিকুল (১৯) নামে দুই যুবককে আটক করে এলাকাবাসী। পরে তাদের কাছ থেকে ৫০ গ্রাম গাঁজা ও একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।

​খবর পেয়ে গোপালদী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপ পরিদর্শক (এসআই) গোলাম মোস্তফা ঘটনাস্থলে গিয়ে দুজনকে হেফাজতে নেন। এ ঘটনায় আড়াইহাজার থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। তবে রাতেই রহস্যজনকভাবে জব্দকৃত মোটরসাইকেলটি ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

​স্থানীয় অধিবাসীদের দাবি, গ্রেপ্তার দুইজন দীর্ঘদিন ধরে আড়াইহাজার থানার সিনিয়র এসআই জহিরুল ইসলামের ‘সোর্স’ হিসেবে পরিচিত। তারা পুলিশের নাম ভাঙিয়ে ও সোর্স পরিচয় দিয়ে এলাকায় নানা অপকর্ম চালিয়ে আসছিলেন। 

এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে এসআই জহিরুল ইসলামের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

​স্থানীয় যুবদল নেতা মফিজুল ইসলাম বলেন, এসব সোর্স পরিচধারীরা বিভিন্ন সময় ভালো মানুষকে মাদক দিয়ে ফাঁসায়। তারাই আবার মাদক কারবারিদের কাছে মাদক সরবরাহ করে। গত তিন মাস ধরে আমরা এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে পাহারা দিচ্ছি। পুলিশ সদস্যের সহযোগী পরিচয়ে মাদক নিয়ে এলাকায় ঢোকায় আমরা তাদের আটক করি। এ ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত চাই।

​আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সবজেল হোসেন জানান, এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।