মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪

|

আষাঢ় ৩১ ১৪৩১

Advertisement
Narayanganj Post :: নারায়ণগঞ্জ পোস্ট

আপাতত আন্দোলনই মূল টার্গেট, নির্বাচিত হলে ফতুল্লা সিটিতে : গিয়াস

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

প্রকাশিত: ১৮:৪৩, ২৮ আগস্ট ২০২৩

আপাতত আন্দোলনই মূল টার্গেট, নির্বাচিত হলে ফতুল্লা সিটিতে : গিয়াস

ফাইল ছবি

নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন বলেছেন, আমরা সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবীতে আন্দোলন করছি। এ সরকারের পদত্যাগ ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবীতে আন্দোলন। আমাদের একটাই দাবী এ সরকারের অধীনে কোন নির্বাচন হবে না। কারণ আওয়ামী লীগের অধীনে নির্বাচন হলে সেটা হবে প্রহসনের নির্বাচন। আমরা নির্বাচনকে বড় করে দেখছি না। আপাতত আন্দোলনই আমাদের মূল লক্ষ্য। আমাদের এই এক দফার আন্দোলন সফল হলে আমরা নির্বাচন নিয়ে বিবেচনা করবো।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নারায়ণগঞ্জ ৪ আসনের (ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ) নানা দিক তুলে ধরে এসব কথা বলেন তিনি।  

তিনি আরও বলেন, আমাদের সময় আমরা ফতুল্লা সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকায় অনেক কাজ করেছি। তবে বিগত বছরগুলোতে ফতুল্লা অনেক পিছিয়ে গেছে। আমি নির্বাচিত হলে প্রথম কাজ হবে ফতুল্লাকে মহানগরের অন্তর্ভুক্ত করা। অর্থাৎ ফতুল্লাকে সিটি করপোরেশনের আওতায় আনা। তাহলে মানুষের দুঃখ দুর্দশা লাঘব হবে। এছাড়াও আপনারা ফতুল্লা স্টেডিয়ামের অবস্থা জানেন। এছাড়াও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর জরাজীর্ণ অবস্থা এগুলো ঠিক করতে হবে। পাশাপাশি যেহেতু এটা ব্যাবসায়িক এলাকা। এখানে চাঁদাবাজি একটি বড় সমস্যা। ব্যাবসায়ীরা এদের বিরুদ্ধে কথা বলতে পারে না। আমরা আইনের শাসনের মাধ্যমে এসকল সন্ত্রাসীদের হাত থেকে ব্যাবসায়ীদের রক্ষা করবো।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে দিয়েছে। বিশেষ করে ২০১৮ ও ২০১৪ সালের নির্বাচনে ক্ষমতায় এসে তারা গণতন্ত্র ও বিচার ব্যাবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়েছে। তারা এখন মানুষের সম্পদ লুট করতে ব্যাস্ত। এ সরকার মানুষের জনজীবন বিপন্ন করেছে। এদের বিরুদ্ধেই বিএনপিসহ অধিকাংশ দল রাজপথে আন্দোলন করছে। 

তিনি বলেন, নারায়ণগঞ্জ পাঁচটি সংসদীয় সিট নিয়ে গঠিত। প্রতিটি আসনেই বেশিরভাগ মানুষ বিএনপির সমর্থক। ২০০১ সালের নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি আসনেরই বিএনপি বিপুল বিজয় অর্জন করেছিল। আগামীতে যখন সুষ্ঠু অবাধ নির্বাচন হবে এই পাঁচটি আসনেই বিএনপি ভাল ফলাফল করবে। 

বিএনপি একটি বৃহৎ দল। বিএনপির অসংখ্য নেতাকর্মী রয়েছে। সারা বাংলাদোশেই প্রতিটি সিটে বিএনপির একাধিক যোগ্য লোক আছে। তবে দলের মনোনয়ন পাবে যেকোন একজন। দল যাকে মনোনয়ন দিবে সবাই ঐক্যবদ্ধ ভাবে তার জন্য কাজ করবো।

তিনি আরও বলেন, আমি ছাত্রজীবন থেকে এখানে রাজনীতি করি। আমি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ছিলাম। পরবর্তীতে আমি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছি। এছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক আন্দোলনের সাথে যুক্ত আছি। এখানে স্কুল কলেজও করেছি। এখানকে সর্বস্তরের লোকজনের সাথেই আমার সুসম্পর্ক রয়েছে। সেটা জনপ্রতিনিধি হিসেবে কাজ করতে গিয়ে যেমন আবার বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে মাধ্যমে। আমি সবসময় এটা বজায় রেখে চলি।