বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪

|

জ্যৈষ্ঠ ২৮ ১৪৩১

Advertisement
Narayanganj Post :: নারায়ণগঞ্জ পোস্ট

আড়াইহাজারে নানা অভিযোগে ভোট বর্জন শাহজালালের

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

প্রকাশিত: ১৬:১০, ২১ মে ২০২৪

আড়াইহাজারে নানা অভিযোগে ভোট বর্জন শাহজালালের

ফাইল ছবি

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মোহাম্মদ শাহজালাল বলেছেন, আমি এ নির্বাচন মেনে নিতে পারছি না। আমি চাই এখানে পুনরায় ভাল একটি নির্বাচন হোক। আমি নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের লোকজনের কাছে প্রমাণাদির ভিত্তিতে নির্বাচন বাতিল করে পুনরায় নির্বাচনের দাবী জানাচ্ছি। আমি এ নির্বাচন গ্রহণ করলাম না। আমি এ নির্বাচন বর্জন করলাম।

মঙ্গলবার (২১ মে) বিকেলে আড়াইহাজারে নিজ বাসভবনে সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, আমি এই নির্বাচন নিয়ে আমার সারাদিনের অভিজ্ঞতা আমার কাছে যতটুকু প্রমান আমি পেয়েছি সেগুলো তুলে ধরছি প্রমানাদি নিয়ে। আড়াইহাজার উপজেলায় আমি ১৩৯টি কেন্দ্রে আমার এজেন্ট দিয়েছি। গত রাত থেকে আমার এজেন্টদের হুমকি দিয়ে বাড়ি গিয়ে তারা যেন উপস্থিত না হয় সেজন্য ভয় দেখানো হয়েছে। যে এজেন্টদের পায়নি তাদের আত্মীয়স্বজনদের হুমকি দিয়েছে।

কালাপাহাড়িয়া এলাকায় আমার এজেন্টদের ঢুকতে দেয়া হয়নি। আমার এজেন্টদের মারধর করে বিদায় করে দেয়া হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে সকাল থেকে এজেন্টদের হুমকি দিচ্ছে। কিছু কেন্দ্রে আমার এজেন্ট ছিল। সেসকল জায়গায় ভোটের পার্সেন্টেজ খুবই কম। আপনারা দেখেছিন ভোট পড়ছে ৩/৪ পার্সেন্ট। আমার এজেন্টরা অনেক কেন্দ্রে ছিল। তাদের বের করে দিয়েছে। ১২ টার পর থেকে তারা প্রতিটি কেন্দ্র দখল করে নিয়েছে।

প্রশাসনের কাছে আমি অভিযোগ করেছি। তারা বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে দেখেছে। একটি কেন্দ্রে একজনকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। সে যুবলীগের সাধারণ সম্পাদকের ছোট ভাই। কেন্দ্র গুলোতে তারা প্রভাব খাটিয়ে আমার এজেন্টদের বের করে দিয়েছে। সেখানে সীল মারার ভিডিও সবাই পেয়েছে আমিও দেখেছি।

তিনি আরো বলেন, আড়াইহাজারের যত ভোটার আছে যেখানে সুষ্ঠু ভোট হয়েছে সেখানে ভোটের পার্সেন্টেজ কম। আর অনেক জায়গায় তারা সীল মারছে সে ভিডিও ও ছবি সকলে দেখেছে।

আড়াইহাজারের আজকের নির্বাচন আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেমন চাচ্ছে তেমন গণতান্ত্রিক নির্বাচন হয়নি। মানুষ ভোট দিতে যায়নি। ২/৩ পার্সেন্টের বেশি ভোট পড়েনি। যেখানে সীল মেরেছে সেগুলোর ব্যাপারে এখনও আমি জানি না।

ভোট গণনার সময় আপনারা প্রমাণ পাবেন। এক কেন্দ্রে ২ পার্সেন্ট আরেক কেন্দ্রে ৩০ পার্সেন্ট ভোট কীভাবে পড়ে। মানুষ ভয়ে ভোট দিতে যাচ্ছেনা।