সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬

|

ভাদ্র ৮ ১৪৩৩

Advertisement
Narayanganj Post :: নারায়ণগঞ্জ পোস্ট

নারায়ণগঞ্জে অটোচালক হত্যা মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

প্রকাশিত: ১৭:৫২, ২৪ আগস্ট ২০২৬

নারায়ণগঞ্জে অটোচালক হত্যা মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন

ফাইল ছবি

নারায়ণগঞ্জে অটোরিকশাচালক মো. জামাল হত্যা মামলায় দীর্ঘ ১৫ বছর পর রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। রায়ে মামলার প্রধান আসামি মো. মনিরুল ইসলাম রঞ্জু ওরফে গালপোড়া রঞ্জুকে মৃত্যুদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অপর আসামি মো. আকাশ আহমেদকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই মামলায় অপর দুই আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালতের বিচারক নাজমুন্নাহার সুমি এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলার নথি ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সালের ১৩ জুলাই সকাল সাড়ে ৮টার দিকে নারায়ণগঞ্জ সদর থানাধীন চাষাড়া মোড় এলাকা থেকে অটোরিকশাচালক মো. জামাল নিখোঁজ হন। পরে একই দিন আমলাপাড়ার ১৯১ প্রেসিডেন্ট রোড এলাকায় মো. কাউছার ইকবালের বাড়ির উত্তর কোণে একটি টয়লেটের পেছন থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে উদ্ধার করা হয় নিহত জামালের চালিত অটোরিকশাটিও।

ঘটনার পর র‍্যাব-১১ অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামি মো. মনিরুল ইসলাম রঞ্জু ওরফে গালপোড়া রঞ্জুসহ চারজনকে আটক করে। পরে নিহতের স্ত্রী মোসা. সখিনা বেগম বাদী হয়ে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। ২০১১ সালের ১৮ জুলাই সদর মডেল থানার মামলা নম্বর-১৬ হিসেবে এটি রুজু হয়। মামলায় দণ্ডবিধির ৩৬৪, ৩০২, ২০১ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়।

তদন্ত শেষে পুলিশ মো. মনিরুল ইসলাম রঞ্জু ওরফে গালপোড়া রঞ্জুসহ চারজনের বিরুদ্ধে ২০১১ সালের ১৩ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। পরে মামলাটি নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালতে বিচারাধীন ছিল।

নারায়ণগঞ্জ আদালত পুলিশের পরিদর্শক মোহাম্মদ আব্দুস সামাদ জানান, বিচারিক কার্যক্রম শেষে আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে মামলার ১ নম্বর আসামি মনিরুল ইসলাম রঞ্জু ওরফে গালপোড়া রঞ্জুকে দণ্ডবিধির ৩৬৪, ৩০২, ২০১ ও ৩৪ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন। ২ নম্বর আসামি মো. আকাশ আহমেদকে একই ধারায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। মামলার ৩ নম্বর আসামি মো. আরাফাত খান ওরফে শান্ত এবং ৪ নম্বর আসামি মো. খোকন মিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত তাদের খালাস দেন। বর্তমানে সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা পলাতক অবস্থায় আছেন।