রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬

|

ভাদ্র ৬ ১৪৩৩

Advertisement
Narayanganj Post :: নারায়ণগঞ্জ পোস্ট

তৈমূরের পিস্তল-বন্দুকের লাইসেন্স ১৫ দিনের মধ্যে নবায়নের নির্দেশ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

প্রকাশিত: ২১:২৮, ২২ আগস্ট ২০২৬

তৈমূরের পিস্তল-বন্দুকের লাইসেন্স ১৫ দিনের মধ্যে নবায়নের নির্দেশ

ফাইল ছবি

নারায়ণগঞ্জের বহিষ্কৃত বিএনপি নেতা ও আইনজীবী ড. তৈমূর আলম খন্দকারের পিস্তল ও বন্দুকের লাইসেন্স ১৫ দিনের মধ্যে নবায়নের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বুধবার (১৯ আগস্ট) বিচারপতি শশাঙ্ক শেখর সরকার ও বিচারপতি ফয়সাল হাসান আরিফের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ এ নির্দেশ দেন বলে জানিয়েছেন তৈমূর আলম খন্দকারের পক্ষের আইনজীবী।

জানা গেছে, ২০০৭ সালে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে গ্রেপ্তার হয়ে প্রায় ২৬ মাস কারাবন্দি ছিলেন তৈমূর আলম খন্দকার। কারাবন্দি অবস্থায় ২০০৭ সালের ১০ ডিসেম্বর কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ২০০৮ সালের জন্য তার পিস্তল ও বন্দুকের লাইসেন্স নবায়নের আবেদন করা হয়। তবে তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা থাকায় নারায়ণগঞ্জের তৎকালীন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট লাইসেন্স দুটির নবায়নের আবেদন নামঞ্জুর করেন।

২০০৯ সালের ১৪ মে কারামুক্ত হওয়ার পর প্রশাসনিকভাবে লাইসেন্স দুটি নবায়নে ব্যর্থ হয়ে ২০১২ সালে হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করেন তৈমূর আলম খন্দকার। রিটের পর সরকারের প্রতি কারণ দর্শানোর রুল জারি করা হয়। দীর্ঘদিন শুনানি না হওয়ার পর সম্প্রতি কয়েক দফা শুনানি শেষে হাইকোর্ট এ নির্দেশ দেন।

আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে তৈমূর আলম খন্দকারের পিস্তল ও বন্দুকের লাইসেন্স নবায়নের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নারায়ণগঞ্জের জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তৈমূর আলম খন্দকারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এর আগেও বিভিন্ন বিষয়ে হাইকোর্টের আদেশ পেয়েছেন তিনি। ১/১১ সরকারের সময়ে তার সম্পাদিত জাতীয় সাপ্তাহিক ‘গণডাক’-এর ডিক্লারেশন বাতিল করা হলে ২০১১ সালের রিট পিটিশনের মাধ্যমে হাইকোর্টের নির্দেশে তিনি ডিক্লারেশন ফিরে পান।

এ ছাড়া রাজউক কর্তৃক তার নামে বরাদ্দ করা উত্তরার প্লট বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে করা রিটের পর হাইকোর্টের নির্দেশে প্লটটি ফিরে পান বলে তিনি দাবি করেন। একইভাবে পাসপোর্ট বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধেও রিট করে আদালতের নির্দেশে পাসপোর্ট ফিরে পাওয়ার কথা জানান তিনি।

বাংলাদেশ জাতীয় বধির ফেডারেশনের চেয়ারম্যান পদ থেকে অপসারণের বিরুদ্ধেও হাইকোর্টে রিট করেন তৈমূর আলম খন্দকার। তার দাবি, আদালতের নির্দেশে তিনি ওই পদে বহাল হন এবং পরবর্তী সময়ে নির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।