ফাইল ছবি
নারায়ণগঞ্জ পোস্ট ডটকম: জুলাই গণঅভ্যুত্থানের উত্তাল দিনগুলোতে নারায়ণগঞ্জে আন্দোলন সংগঠিত ও ঐতিহাসিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে অত্যন্ত সাহসী ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের বর্তমান চেয়ারম্যান মাসুকুল ইসলাম রাজীব। আন্দোলনের শুরু থেকেই তিনি শহর ও আশপাশের বিভিন্ন কৌশলগত এলাকায় দলীয় নেতাকর্মীদের রাজপথে সক্রিয় রাখার কাজ করে যান।
জুলাইয়ের আন্দোলন যখন মারাত্মক সহিংস রূপ নিতে শুরু করে, তখন নারায়ণগঞ্জ শহরে ছাত্র-জনতার সুনির্দিষ্ট কর্মসূচিগুলোকে ঘিরে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় শহরের বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারীদের ওপর সশস্ত্র হামলার ঘটনায় প্রতিবাদে ফুঁসে উঠে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা রাজপথে নেমে আসেন। সেই উত্তপ্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ সময়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে একদম সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দেন মাসুকুল ইসলাম রাজীব।
বিশেষ করে শহরের মিশনপাড়া এলাকাকে কেন্দ্র করে আন্দোলনকারীদের শক্ত অবস্থান ধরে রাখতে এবং সশস্ত্র হামলার মুখে ছাত্র-জনতার হয়ে পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তুলতে তার ভূমিকা ছিল অনন্য। আন্দোলনের প্রতিটি ধাপে তিনি নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নেন এবং শিক্ষার্থীদের কর্মসূচির সঙ্গে পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করেন।
শুধু শহরের ভেতরের রাজপথেই নয়, নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড ও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ককেন্দ্রিক উত্তাল আন্দোলনেও রাজীবকে অত্যন্ত সক্রিয় দেখা গেছে। যোগাযোগের ক্ষেত্রে অতি গুরুত্বপূর্ণ এই দুটি মহাসড়কে আন্দোলনের কর্মসূচিগুলো সুসংগঠিত করতে এবং সাধারণ মানুষের ব্যাপক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে তিনি অগ্রণী ভূমিকা রাখেন।
আন্দোলন চলাকালে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং রাজপথে তাদের অভয় দিয়ে পাশে থাকার ক্ষেত্রেও রাজীব ও তার অনুসারীদের এই সর্বাত্মক উপস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। জুলাইয়ের টানা গণআন্দোলনের পুরো সময়জুড়ে তারা বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নিয়ে রাজপথের সংগ্রামের ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ণ রাখেন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে আন্দোলনের নানা গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় পর্যালোচনায় মাসুকুল ইসলাম রাজীবের সাহসী সাংগঠনিক তৎপরতা, শহরে অস্ত্রধারীদের বিপরীতে প্রতিরোধ গড়া এবং মহাসড়ক ও লিংক রোডকেন্দ্রিক আন্দোলনে তার বলিষ্ঠ নেতৃত্বের বিষয়টি নতুন করে ব্যাপক আলোচনায় এসেছে।

