ফাইল ছবি
ডিজিটাল বিশ্বে, জীবন, শিক্ষা, ব্যবসা, এবং রাষ্ট্রের মৌলিক কাঠামো—সবই নেটওয়ার্কের ওপর নির্ভরশীল। যত বড় সুযোগ, তত বড় ঝুঁকি। সাইবার হামলা আর তথ্য চুরির শিকার হতে পারে আমাদের ব্যক্তিগত তথ্য, অর্থনীতি, এমনকি দেশের নিরাপত্তাও। টেনসর সিকিউরিটি একাডেমি বাংলাদেশের সাইবার নিরাপত্তা শিক্ষায় নতুন মাত্রা যোগ করছে। আধুনিক কারিকুলাম, হাতে–কলমে প্রশিক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক মানের স্কিল ডেভেলপমেন্টের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি দেশীয় তরুণদের বৈশ্বিক সাইবার নিরাপত্তায় কাজ করে যাচ্ছে।
নারায়ণগঞ্জের ছেলে আবরার জাহিন, আহছানউল্লা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চূড়ান্ত বর্ষের শিক্ষার্থী, টেনসর সিকিউরিটি একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান স্বপ্নদ্রষ্টা। মাত্র একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী হয়েও তিনি এমন একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছেন যা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে স্বীকৃতি পাচ্ছে।
তার টিমে রয়েছে রুদ্র, ফুয়াদ, নুরেন, সালেহিন, ওভি সহ একঝাঁক প্রতিভাবান তরুণ, যারা প্রত্যেকে নিজ নিজ ক্ষেত্রে দক্ষ এবং যাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও নিরলস পরিশ্রম টেনসর সিকিউরিটি একাডেমি আজ দেশের পাশাপাশি কাজ করছে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে।
আমেরিকা, ব্রাজিল, আস্ট্রিলিয়া, মতো দেশ গুলতে সাইবার সিকিউরিটি সেক্টরে টেনসর সিকিউরিটি প্রতিষ্ঠানের রয়েছে অসামান্য অবদান। আমেরিকার টেক্সাস অঙ্গ রাজ্যের ফ্যাব্রিস নাজ্যেহ, মিস্টার হ্যারিসন ম্যারিল্যান্ড অঙ্গ রাজ্যের মিস্টার জিমি, মিস্টার চার্লটন, মিস্টার বরিস এছাও অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন থেকে মিরাজ রনি ব্রাজিল থেকে ওরা সাও পাওলো এই প্রতিষ্ঠানের সাথে যুক্ত থেকে সিকিউরিটি সেক্টরে কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে।
এ বিসয়ে স্টার্টআপ উদ্যোক্তা আবরার জাহিন বলেন সাইবার সিকিউরিটি অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি বিসয়, এ বিসয়ে সকলকে সচেতন করা আমাদের মুল উদ্দেশ্য। পাশাপাশি দক্ষ জনবল তৈরি করে তথ্যের নিরাপত্তায় কাজ করছে এই প্রতিষ্ঠান।
সাইবার সিকিওরিটি বিশেষজ্ঞ জিয়াউর রহমান বলেন, বাংলাদেশ দ্রুত ডিজিটাল রূপান্তরের পথে এগিয়ে চলার সঙ্গে সঙ্গে, সাইবার নিরাপত্তা এখন জাতীয় শক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। আজ প্রতিরক্ষামূলক সাইবার নিরাপত্তার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার মাধ্যমে দেশটি তার গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো সুরক্ষিত করছে, ডিজিটাল নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে এবং ভবিষ্যতের সাইবার সংঘাতের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করছে যেখানে স্থিতিশীলতা ও প্রস্তুতিই জাতীয় সার্বভৌমত্ব নির্ধারণ করবে।

