শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪

|

আষাঢ় ৭ ১৪৩১

Advertisement
Narayanganj Post :: নারায়ণগঞ্জ পোস্ট

হিরাঝিল সমাজ কল্যাণ সমিতিতে নানা অনিয়ম, সমাজসেবা কার্যালয়ে অভিযোগ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

প্রকাশিত: ২২:১৩, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩

হিরাঝিল সমাজ কল্যাণ সমিতিতে নানা অনিয়ম, সমাজসেবা কার্যালয়ে অভিযোগ

ফাইল ছবি

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে “হিরাঝিল আবাসিক এলাকা সমাজ কল্যাণ সমিতি” নামের এক সমিতির বিরুদ্ধে কোনো কমিটি গঠন না করা এবং চাঁদাবাজিসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এসব ঘটনার প্রেক্ষিতে গত ২৭ জুলাই হাজী মো. ওমর ফারুক নামের এক ব্যক্তি জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করেন।  

অভিযোগসূত্রে জানা যায়, ২০০৭ সালের ৩০ জুলাই থেকে ২০২২ সালের ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত সমাজসেবা অফিসের নিয়মানুযায়ী এবং রেজ্যুলেশন অনুপাতে কোনো কমিটি করা হয় নাই। কমিটির মেয়াদ শেষ হলে শুধু সভাপতি তার নিজ ক্ষমতার বলে কমিটি বানিয়ে আপনাদের অফিস থেকে লোক মারফতে অনুমোদন যায়। কিন্তু আজ পর্যন্ত উপজেলা সমাজসেবা অফিসে কোন প্রকার ডকুমেন্ট না থাকার বা প্রমাণ নেই যে, হিরাঝিল আ/এ সমাজ কল্যাণ সমিতির কমিটি আছে। আমাদের সমাজকল্যাণ সমিতির নিবন্ধণ নং-০৫৭৮। আমি গতবার এই এলাকার কাউন্সিলর ছিলাম। তখন ইচ্ছে করলেই এই কমিটির বিলুপ্তি করতে পারতাম। কিন্তু ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় ক্ষমতা দেখাতে চাইনি। তারা প্রতি মাসে প্রতি বাড়ী থেকে চাঁদা আদায় করে ৫০০ টাকা ও ফ্ল্যাট মালিক থেকে ২৫০ টাকা। এছাড়া ময়লার টাকা দিয়ে অবৈধ বাণিজ্য করা হয়। পাশাপাশি বিলাস-বহুল অফিস দিয়ে অনিয়ম করে বিচার করা হয়। যেখানে সমাজসেবা কার্যালয়ের নিয়ামামুখী অফিস ভাড়া ৩ হাজার টাকার কথা থাকলেও বর্তমানে তাদের বিলাসবহুল অফিসের ভাড়া ২২ হাজার টাকা। যেখানে তাদের ব্যক্তিগত অনিয়মের অভিস কাজ পরিচালনা করা হয়। এছাড়া কমিটির মেয়াদ শেষ না হতেই তার নিজ ক্ষমতা বলে টাকার বিনিময়ে অবৈধ বাণিজ্য করেন। যখন ইচ্ছে তখন মনগড়া লোক নিয়ে কমিটির রদবদল করা হয়। তাছাড়া হিরাঝিল আ/এ কোনো বাড়ী বিক্রয় করলে ৫ লাখ টাকা দিতে হয় এবং বাড়ী ক্রয় করলেও ৫ লাখ টাকা কমিটিকে দিতে হয়। এছাড়া ফ্ল্যাট বিক্রি হলেও ৫০ হাজার টাকা দিতে হয়। পাশাপাাশিএই অফিসে বিচার করে মানুষের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নেওয়া হয়। এছাড়াও হিরাঝিল বাইতুন নূর জামে মসজিদের কমিটিও তার ক্ষমতায় রদবদল করা হয়।  

এ বিষয়ে জানতে চাইলে হিরাঝিল আবাসিক এলাকার সমাজ কল্যাণ সমিতির সভাপতি গোলাম মো. হাবিবুল্লাহকে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ফোনটি রিসিভ করেন নি। 

অভিযোগের বিষয়ে জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. সোলায়মান হোসেন জানান, এ অভিযোগের ভিত্তিতে আমাদের পক্ষ থেকে সরেজমিনে তদন্ত করতে এই সমিতির কার্যালয়ে যাওয়া হয়। তদন্তে আমরা তাদের কমিটির তালিকা পেয়েছি। বাকি বিষয়গুলো নিয়ে তদন্ত চলছে। তদন্তসাপেক্ষে বিস্তারিত বলা যাবে।