সোমবার, ২২ জুলাই ২০২৪

|

শ্রাবণ ৬ ১৪৩১

Advertisement
Narayanganj Post :: নারায়ণগঞ্জ পোস্ট

বন্দরে ধর্ষনের ঘটনায় ধর্ষক বিজয় ও সহায়তাকারি নারী রুনা গ্রেপ্তার 

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

প্রকাশিত: ১৮:৩৯, ১০ জুলাই ২০২৪

বন্দরে ধর্ষনের ঘটনায় ধর্ষক বিজয় ও সহায়তাকারি নারী রুনা গ্রেপ্তার 

ফাইল ছবি

বন্দরে মানসিক ভারসাম্যহীন যুবতী (২০)কে হাত পা বেঁধে ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর পূ্র্বক ভাবে ধর্ষনের ঘটনায় লম্পট ধর্ষক বিজয় (২৭) ও ধর্ষনের সহায়তাকারি নারী রুনা আক্তার (২৮)কে গ্রেপ্তার করেছে ধামগড় ফাঁড়ি পুলিশ। বুধবার (১০ জুলাই) সকালে বন্দর থানার মদনপুর  দক্ষিণপাড়াস্থ দানেশ ভূঁইয়ার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে এদেরকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো বন্দর উপজেলার মদনপুর ইউনিয়নের দক্ষিনপাড়া দানেশ ভূঁইয়ার বাড়ি ভাড়াটিয়া আব্দুর রশিদ মিয়ার ছেলে বিজয় (২৭) একই বাড়ি ভাড়াটিয়া রুহুল আমিন খন্দকারের মেয়ে রুনা আক্তার (২৮)। পুলিশ মানসিক ভারসাম্যহীন যুবতীকে উদ্ধার করে বুধবার দুপুরে ডাক্তারি পরিক্ষা জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করেছে। সে সাথে গ্রেপ্তারকৃত ধর্ষক ও ধর্ষনের সহায়তাকারিকে ওই দিন দুপুরে উল্লেখিত মামলায় আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। এর আগে গত মঙ্গলবার (৯ জুলাই) দুপুর ২টায় বন্দর থানার মদনপুর দক্ষিণপাড়াস্থ দানেশ ভূঁইয়ার ভাড়াটিয়া ঘরে এ ধর্ষনের ঘটনাটি ঘটে।

এ ঘটনায় ধর্ষিতার পিতা জাহের আলী বাদী হয়ে বুধবার (১০ জুলাই) সকালে বন্দর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে এ মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং- ১৭(৭)২৪।

মামলার তথ্য সূত্রে জানাগেছে, মামলার বাদীর মেয়ে মানসিক ভারসাম্যহীন নারী। বাদী ও তার পরিবার গত ১ বছর ধরে বন্দর উপজেলার মদনপুর দক্ষিণপাড়া দানেশ ভূঁইয়ার বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে আসছে। বাদী তার স্ত্রী উভয় বন্দর থানার মদনপুরস্থ সুরুজ মিয়ার  ঝুট মিলসে কাজ করে কোন মতে জীবন যাপন করে আসছে। এ সুবাদে মানসিক ভারসাম্যহীন যুবতী বাসায় থাকত। বাদী ও তার স্ত্রী বাসায় না থাকার সুবাদে রুনা আক্তার কু পরামর্শে লম্পট বিজয় উল্লেখিত যুবতীকে কু প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। এর ধারাবাহিকতায় গত মঙ্গলবার (৯ জুলাই) সকাল ৮ টায় প্রতিদিনের ন্যায় মামলার বাদী ও তার স্ত্রী কর্মস্থলে যায়। পরে ওই দিন দুপুর ২টায় বাদী মেয়ে গোসল করতে যাওয়ার সময় রুনা আক্তার বাদী মেয়েকে হাত দিয়ে টান দিয়ে দানেশ ভূঁইয়ার ভাড়াটিয়া ঘর বিজয়দের রুমে নিয়ে যায়। পরে রুনা আক্তারের সহায়তা লম্পট বিজয় মানসিক ভারসাম্যহীন যুবতী নারী হাত পা ওড়না দিয়ে বেঁধে ফেলে। এক পর্যায়ে মানসিক ভারসাম্যহীন নারী চিৎকার করলে ওই সময় রুনা আক্তার বাদী মেয়ের মুখ চেপে ধরে এবং লম্পট বিজয় মানসিক ভারসাম্যহীন নারী ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর পূর্বক ভাবে ধর্ষন করে রুম থেকে বের করে দেয়। পরে ধর্ষিতা বিষয়টি তার পিতা/ মাতাকে জানালে এ ঘটনায় জাহের আলী বাদী হয়ে বন্দর থানায় এ মামলা দায়ের করেন।