ফাইল ছবি
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার গোলাকান্দাইল ইউনিয়নের গোলাকান্দাইল মধ্যপাড়া এলাকার বাসিন্দা পিতা আরফান মোল্লার (৫৫) পর এবার দগ্ধ পুত্র লিয়ন মোল্লার (৩৫) মৃত্যু হয়েছে।
রোববার দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। এ নিয়ে গোলাকান্দাইলে বিদ্যুৎস্পর্শে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল তিনজনে। বিকালে গোলাকান্দাইল সামাজিক কবরস্থানে পাশাপাশি তাদের দাফন করা হয়েছে।
নিজের নির্মাণাধীন ভবনের ছাদে স্টিলের পাইপ বসানোর কাজ করার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে। গত ১৪ মার্চ শনিবার বিকালে উপজেলার গোলাকান্দাইল ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের নতুন বাজার এলাকায় ব্যবসায়ী মজিবর রহমানের বাড়ির পাশে চারতলা বাড়ির ছাদে মালিক আরফান মোল্লা (৫৫) স্টেইনলেস স্টিল (এসএস) পাইপ বসানোর কাজ করছিলেন। এ সময় পাইপটি পাশ দিয়ে যাওয়া উচ্চ ভোল্টেজের বিদ্যুতের তারের সঙ্গে স্পর্শ করলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলেই আরফান মোল্লার মৃত্যু হয়।
এ সময় পাশে থাকা তার ছেলে লিয়ন মোল্লা ও মিস্ত্রি সাদিকুর রহমান বাড়ির মালিক আরফান মোল্লাকে বিদ্যুৎমুক্ত করতে গেলে তারা বিদ্যুৎস্পর্শে দগ্ধ হন। পরে তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হলে শনিবার সন্ধ্যায় মিস্ত্রি সাদিকুর রহমানের মৃত্যু হয়। রোববার দুপুরের দিকে আরফান মোল্লার ছেলে লিয়ন মোল্লার মৃত্যু হয়। তাদের সবার বাড়ি গোলাকান্দাইল এলাকায়।
রূপগঞ্জ থানা ওসি মোহাম্মদ সবজেল হোসেন বলেন, ঘটনাস্থল পুলিশ পরিদর্শন করেছে। বিদ্যুৎস্পর্শে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির এজিএম রাজা ঘোষ বলেন, শুধুমাত্র অসচেতনতার কারণে বিদ্যুৎস্পর্শে মৃতের সংখ্যা বেড়ে যায়। একজন বিদ্যুৎস্পর্শ হলে অন্যরা ছাড়তে গিয়ে তারা মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। অপরিকল্পিত ও অবৈধভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ দিলে যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

