ফাইল ছবি
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার-রূপগঞ্জে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্বাচনী জনসভা ঘিরে ছিল ব্যাপক উৎসাহ ও উত্তেজনা।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকেল থেকেই সমাবেশস্থলে জড়ো হতে শুরু করেন দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকরা। হাতে ব্যানার–ফেস্টুন, মুখে স্লোগান—পুরো এলাকা পরিণত হয় এক উৎসবমুখর পরিবেশে।
সমাবেশটি বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও পথে পথে নেতাকর্মী ও মানুষের চাপের কারণে তারেক রহমানের নারায়ণগঞ্জে পৌঁছাতে কিছুটা বিলম্ব হয়। এতে নেতাকর্মীদের মধ্যে অপেক্ষার প্রহর দীর্ঘ হলেও উদ্দীপনায় কোনো ঘাটতি দেখা যায়নি। অবশেষে শুক্রবার ভোরে তারেক রহমান সমাবেশস্থলে পৌঁছালে মুহূর্তেই বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে উপস্থিত জনতা।
তারেক রহমানের আগমন বার্তায় স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো মাঠ। নেতাকর্মীরা তাকে বরণ করে নেন করতালি, হাত নেড়ে শুভেচ্ছা আর আবেগঘন অভিবাদনের মাধ্যমে। দীর্ঘ অপেক্ষার ক্লান্তি যেন এক মুহূর্তেই উধাও হয়ে যায়।
এরপর ভোরে আনুষ্ঠানিকভাবে জনসভার কার্যক্রম শুরু হয়। সমাবেশে তারেক রহমান তার বক্তব্যে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং নির্বাচনের ব্যাপারে দিকনির্দেশনা মূলক বক্তব্য প্রদান করেন। এসময় ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিএনপিকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করার আহ্বান জানান তিনি।
তার বক্তব্য চলাকালে বারবার স্লোগান ও করতালিতে সমর্থন জানান নেতাকর্মীরা। অনেকেই বলেন, তারেক রহমানকে সামনে থেকে দেখার সুযোগ পেয়ে তারা নতুন করে অনুপ্রাণিত হয়েছেন।
জনসভা শেষে স্থানীয় বিএনপির নেতারা জানান, এই সমাবেশ প্রমাণ করেছে যে তৃণমূল পর্যায়ে বিএনপির সাংগঠনিক শক্তি এখনও অটুট রয়েছে। তারেক রহমানের উপস্থিতি নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা ও আত্মবিশ্বাস সৃষ্টি করেছে বলে তারা মন্তব্য করেন।
সব মিলিয়ে, এই জনসভা বিএনপির জন্য ছিল নেতার প্রতি ভালোবাসা প্রদর্শনের একটি গুরুত্বপূর্ণ আয়োজন, যেখানে তারেক রহমানের আগমন ঘিরে নেতাকর্মীদের আবেগ ও উচ্ছ্বাস স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে।

