ফাইল ছবি
নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর-বন্দর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মাকসুদ হোসেনের কর্মীর উপর সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা নিলুফা ইয়াছমিন নিলু বাদী হয়ে গত সোমবার (১৯ জানুয়ারী) ৩ জনের নাম উল্লেখ্য করে বন্দর থানায় এ মামলা দায়ের করেন তিনি। যার মামলা নং- ২০(১)২৬ ধারা-১৪৩ / ৩৪১/ ৩২৩/ ৩২৪/ ৩০৭ / ৩৭৯ / ৫০৬/ (২) পেনাল কোড -১৮৬০। তবে এ সন্ত্রাসী হামলার ঘটনার ৩ দিনেও হামলাকারিদের গ্রেপ্তারের সংবাদ জানাতে পারেনি পুলিশ।
অভিযুক্তরা হলো ধানের শীষের প্রার্থী অ্যাডভোকেট আবুল কালামের ছেলে আবুল কাউসার আশার অনুসারী
বন্দর থানার নবীগঞ্জ কবিলেরমোড় এলাকার মৃত আমান সরদারের দুই ছেলে মো. শাহীন আহম্মেদ সৌরভ (৩৮) ও মো. রাজিব (৪৫) ও একই থানার ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. মোর্শেদ (৩৮)।
আহত শাহীন আহাম্মেদ পরাগ (৩৮) বন্দর উপজেলার দাঁশেরগাও এলাকার মৃত এ টি এম রুহুল আমিন মিয়ার ছেলে।এর আগে গত রোববার (১৮ জানুয়ারী) দুপুরে বন্দর থানার কবিলেরমোড় এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে।
মামলার বাদিনী নিলুফা ইয়াছমিন নিলু বলেন, অভিযুক্তরা আমাদের পূর্ব পরিচিত। গত রোববার দুপুর দুইটায় আমার ছেলে শাহীন আহম্মেদ পরাগ (৩৮) বন্দর রেজিস্ট্রি অফিস থেকে জমি বিক্রয়ের নগদ ১০ লাখ ৭০ হাজার টাকা নিয়া মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিল। ওই সময় সে নবীগঞ্জ কবিলারমোড় পাঁকা রাস্তার উপর পৌঁছালে অভিযুক্তরা ছাড়াও অজ্ঞাত ব্যক্তিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে পিস্তল, দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়া প্রাইভেটকারে পরাগের পথরোধ করে, মারধর করে সঙ্গে থাকা টাকা নিয়া নেয়। এবং অভিযুক্ত সৌরভ ভুক্তভোগী পরাগের বুকে পিস্তল ঠেকাইয়া গুলি করে হত্যা করার হমকি দেয়।
একই সাথে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মাকসুদ হোসেনের পক্ষে নির্বাচন কাজ করলে হত্যাসহ মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকিসহ নানা ভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে।
বন্দর থানার ওসি গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন বলেন, “টাকা ছিনিয়ে নেয়া ও মারধরের বিষয়ে থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। আসামীদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশি অভিযান অব্যহত রয়েছে।

