ফাইল ছবি
প্যারোলে মুক্তি পেয়ে পিতার জানাযায় অংশ নিয়েছে পুত্র ছাত্রলীগ নেতা রুবেল। গত সোমবার (৯ মার্চ) বিকের ৬টায় তিনি কারাগার থেকে প্যারোলে মুক্তি পান। পরে বাদ মাগরিব বন্দর উপজেলার কলাগাছিয়া ইউনিয়নের কল্যান্দী এলাকায় জানাজা শেষে তাকে পুনরায় কারাগারে পাঠানো হয়। রাজবন্দী ছাত্রলীগ নেতা রুবেল কলাগাছিয়া ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড কল্যান্দী এলাকার মৃত রুহুল আমিন মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, সোমবার বিকেলে ৪টায় কলাগাছিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা রুবেলের পিতা রুহুল আমিন (৭০) বার্ধক্য জনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে তার নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ২ ছেলে, ২ মেয়সহ বহু আত্মীয় স্বজন রেখে গেছেন।
বৈষম্য বিরোধী মামলায় কারাগারে থাকা কলাগাছিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা রুবেল শেষবারের মতো তার পিতার জানাজায় অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে পরিবারের পক্ষ থেকে প্যারোলে মুক্তি চেয়ে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে লিখিতভাবে আবেদন করে। আবেদনের প্রেক্ষিতে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সোমবার সন্ধ্যায় ৩ ঘণ্টার জন্য তাকে প্যারোলে মুক্তি দেন। প্যারোলে মুক্তি পেয়ে ছাত্রলীগ নেতা রুবেল পুলিশি প্রহরায় কল্যান্দীস্থ তার নিজের বাড়িতে যান। বাড়িতে প্রবেশের পর কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। পরে বাদ মাগরিব উল্লেখিত এলাকায় এসে পিতার জানাজায় অংশ নেন। শেষে তাকে পুলিশি প্রহরায় কারাগারে পাঠানো হয়।
উল্লেখ্য, গত জানুয়ারী মাসে ছাত্রলীগ নেতা রুবেলকে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে ছাত্রদের উপর হামলার মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করে বন্দর থানা পুলিশ।

