মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি ২০২৬

|

মাঘ ৬ ১৪৩২

Advertisement
Narayanganj Post :: নারায়ণগঞ্জ পোস্ট

তবে কি তারাও বহিষ্কারের পথে!

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

প্রকাশিত: ১৭:১৫, ২০ জানুয়ারি ২০২৬

আপডেট: ১৭:১৬, ২০ জানুয়ারি ২০২৬

তবে কি তারাও বহিষ্কারের পথে!

ফাইল ছবি

নারায়ণগঞ্জে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে নির্বাচনে থেকে যাওয়ায় বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে দল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মনোনয়ন প্রত্যাহার না করায় এসব নেতার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। এতে করে আরও কয়েকজন শীর্ষ নেতার বহিষ্কার অনিবার্য হয়ে উঠছে বলে আলোচনা চলছে।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) ছিল মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন। তবে শেষ সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করেও বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীদের কেউই তাদের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেননি। ফলে দলীয় হাইকমান্ড বিষয়টিকে গুরুতর শৃঙ্খলাভঙ্গ হিসেবে দেখছে।

নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মাঠে রয়েছেন দুলাল। দলীয় নির্দেশনা উপেক্ষা করে তিনি প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করায় তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি এখন সময়ের অপেক্ষা বলে মনে করা হচ্ছে।

এছাড়া নারায়ণগঞ্জ-৩ ও নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী রেজাউল করিম এবং সাবেক সংসদ সদস্য আতাউর রহমান খান আঙ্গুর। এই দুই নেতা দীর্ঘদিন দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকলেও দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় তাদের ভবিষ্যৎ নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী এক–দুই দিনের মধ্যেই এসব বিদ্রোহী নেতার বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। শাস্তির অংশ হিসেবে তাদের দল থেকে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলেও আলোচনা রয়েছে।

এর আগে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় বিএনপি ইতিমধ্যে শাহ্ আলম ও মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিনকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে দল স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে—দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

সব মিলিয়ে নারায়ণগঞ্জে বিএনপির অভ্যন্তরীণ এই সংকট নির্বাচনী মাঠে দলের অবস্থানকে আরও চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।