প্রতীকী ছবি
নারায়ণগঞ্জ জেলার সাতটি থানা ও জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের পরিচালিত ২৪ ঘণ্টার বিশেষ অভিযানে সর্বমোট ১৫৪ জন আসামিকে গ্রেপ্তায়ার করা হয়েছে।
সোমবার (৫ অক্টোবর) দিবাগত রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা পুলিশ সুপার মোঃ হাবিবুর রহমান। জেলার বিভিন্ন এলাকায় একযোগে এই সমন্বিত অভিযান চালানো হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত আসামিরা রয়েছে। তাদের মধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের ৮ জন সদস্য, ৬ জন মাদক ব্যবসায়ী, ৯৮ জন মাদকসেবী, ২ জন ছিনতাইকারী, ১ জন চোর, ৭ জন ডাকাত, পরোয়ানাভুক্ত (ওয়ারেন্ট) ১৮ জন, নিয়মিত মামলার ১১ জন এবং অন্যান্য আইনি ধারায় ৩ জন আসামি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
অভিযানের অংশ হিসেবে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ সর্বাধিক ৪২ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করে, যার মধ্যে নিষিদ্ধ সংগঠনের ২ জন, ২১০ গ্রাম গাঁজাসহ ১ জন মাদক ব্যবসায়ী, ২৮ জন মাদকসেবী, ১ জন চোর, পরোয়ানাভুক্ত ৫ জন, নিয়মিত মামলার ২ জন এবং অন্যান্য আইনের ৩ জন রয়েছে। সোনারগাঁও থানায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে মোট ৩০ জন আসামিকে। তাদের মধ্যে নিষিদ্ধ সংগঠনের ২ জন, ৫ গ্রাম হেরোইন ও ২০ পিস ইয়াবাসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ী, ১৪ জন মাদকসেবী, ৬ জন ডাকাত, পরোয়ানাভুক্ত ৪ জন ও নিয়মিত মামলার ২ জন আসামি রয়েছে।
একই অভিযানে বন্দর থানা পুলিশ ২২ জন মাদকসেবী ও পরোয়ানাভুক্ত ৪ জনসহ মোট ২৬ জন এবং সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ ১৮ জন মাদকসেবী, ২ জন ছিনতাইকারী ও পরোয়ানাভুক্ত ৩ জনসহ মোট ২৩ জনকে গ্রেপ্তার করে।
রূপগঞ্জ থানায় গ্রেফতার হওয়া ১৮ জনের মধ্যে নিষিদ্ধ সংগঠনের ৩ জন, ৯৫ পিস ইয়াবা, ৫০ গ্রাম গাঁজা ও ১ গ্রাম হেরোইনসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ী, ৮ জন মাদকসেবী এবং নিয়মিত মামলার ৫ জন আসামি রয়েছে। এছাড়া নারায়ণগঞ্জ সদর থানা পুলিশ ১৫ পিস ইয়াবাসহ ১ জন মাদক ব্যবসায়ী, ৮ জন মাদকসেবী, নিয়মিত মামলার ২ জন ও পরোয়ানাভুক্ত ২ জনসহ মোট ১৩ জন এবং আড়াইহাজার থানা পুলিশ নিষিদ্ধ সংগঠনের ১ জন সদস্য ও ১ জন ডাকাতসহ ২ জনকে গ্রেপ্তার করে।
জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশি এই বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন জেলা পুলিশ সুপার।

