ফাইল ছবি
নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় অবৈধ গ্যাস সংযোগ ও বাণিজ্যিকভাবে গ্যাস ব্যবহারের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মিল্টন রায়। জোবিঅ-বন্দর এলাকায় মোট তিনটি স্পটে অভিযান পরিচালিত হয়।
প্রথম স্পটে একতা মার্কেটের মদনপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থিত হামজা মিষ্টি ও বেকারীতে অভিযান চালানো হয়। এসময় অবৈধভাবে স্থাপিত এমএস পাইপ ৩/৪ ইঞ্চি আকারের প্রায় ৩০ ফুট লম্বা পাইপলাইন অপসারণ করা হয়।
পরিদর্শনে দেখা যায়, হামজা মিষ্টির দোকানে দুটি স্টার বার্নার ও একটি সিঙ্গেল চুলা এবং বেকারীতে একটি ওভেনের মাধ্যমে বাণিজ্যিকভাবে গ্যাস ব্যবহার করা হচ্ছিল।
এছাড়া মো. সুরুজ মিয়া নামে এক ব্যক্তি আবাসিক সংযোগ থেকে অবৈধভাবে বাণিজ্যিক কাজে গ্যাস ব্যবহার করছিলেন। এসব মিলিয়ে মোট সংযুক্ত লোড ছিল ঘণ্টায় ৬০৬ ঘনফুটের বেশি। এ অপরাধে সংশ্লিষ্টদের মোট ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
দ্বিতীয় স্পটে একই এলাকার মায়ের দোয়া ভান্ডারী রেস্টুরেন্টে অভিযান পরিচালনা করা হয়। সেখানে অবৈধভাবে স্থাপিত এমএস পাইপ ৩/৪ ইঞ্চি আকারের প্রায় ২০ ফুট পাইপলাইন অপসারণ করা হয়। রেস্টুরেন্টটিতে একাধিক স্টার বার্নার ও গ্রিল পাইপ বার্নারের মাধ্যমে অবৈধভাবে গ্যাস ব্যবহার করা হচ্ছিল, যার মোট সংযুক্ত লোড ছিল ঘণ্টায় ৩৪৯ ঘনফুট। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটিকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
তৃতীয় স্পটে কেওডালা, মদনপুর এলাকায় পাশা ইলেকট্রিক কারখানার গলিতে অবৈধ গ্যাস ব্যবহারের উদ্দেশ্যে স্থাপিত দেড় ইঞ্চি ব্যাসের প্রায় ৬০ ফুট এমএস পাইপ অপসারণ করা হয়। তবে পরিদর্শনে পাইপটিতে কোনো গ্যাস সংযোগ পাওয়া যায়নি এবং এটি কোনো বিতরণ লাইনের সাথেও সংযুক্ত ছিল না।
অভিযানকালে কোনো মামলা বা এফআইআর দায়ের করা হয়নি।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনস্বার্থে অবৈধ গ্যাস সংযোগ ও অপব্যবহার রোধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালিত হবে।

