রূপগঞ্জের পঞ্চম জয়
আগে ব্যাটিং করে বড় সংগ্রহ গড়তে পারেনি গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স। সাব্বির হোসেন সিকদারের ৭৯ রানের ইনিংসে ভর করে তারা স্কোরবোর্ডে তোলে ২১০ রান।
সেই মামুলি লক্ষ্য ইরফান শুক্কুরের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে সহজেই ছুঁয়ে ফেলে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ। ৭৫ বলে ১২৭ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে স্বেচ্ছায় অবসরে যান ইরফান।
তার ব্যাটেই ভর করে ৭ উইকেটের জয় তুলে নিয়ে ১০ পয়েন্টে টেবিলের তিন নম্বরে উঠে এসেছে রূপগঞ্জ। মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ২১১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে প্রথম ওভারেই হাবিবুর রহমানকে হারায় রূপগঞ্জ।
গোল্ডেন ডাক মেরে ফেরেন এই ব্যাটার। দ্বিতীয় উইকেটের জুটিও ১৬ রানের বেশি টেকেনি। টেস্ট দলের সদস্য মাহমুদুল হাসান জয় ১৫ বলে ১৩ রান করে সাজঘরে ফেরেন। এরপর তৃতীয় উইকেটে ইরফান শুক্কুর ও ওপেনার আশিকুর রহমান শিবলি মিলে শুরুর বিপর্যয় সামাল দেন। দুজন মিলে গড়েন ৬৮ রানের জুটি। তবে ৪০ বলে ২৫ রান করে ফেরেন শিবলি।
তবে আইচ মোল্লাকে সঙ্গে নিয়ে ইরফান গড়েন ১১৪ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি। বড় শট খেলতে গিয়ে পায়ে টান লাগলে স্বেচ্ছায় অবসরে যান তিনি। এরপর আইচ মোল্লা ও শেখ মেহেদী হাসান দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন। আইচ ৫৩ বলে ৩০ এবং মেহেদী ১০ বলে ১২ রান করেন।
অন্যদিকে ইরফান ছিলেন একেবারেই বিধ্বংসী। ড্রেসিংরুমে ফেরার আগে ৭৫ বলে ১৮ চার ও ৫ ছক্কায় ১২৭ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। তার এই দুর্দান্ত ইনিংসেই ৩২.২ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে জয় নিশ্চিত করে রূপগঞ্জ।
এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ভয়াবহ শুরু করে গাজী গ্রুপ। ৫৬ রান তুলতেই হারায় ৫ উইকেট। পরে সাব্বির হোসেন সিকদারের ৭৯ এবং প্রীতম কুমার ও রাহিম আহমেদের ৩১ রানের ইনিংসে ভর করে কোনো রকমে ২১০ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় দলটি।
গাজী গ্রুপকে অল্প রানে আটকে রাখতে বড় ভূমিকা রাখেন আব্দুল হালিম ও সারাউদ্দিন শাকিল। দুজনই নেন তিনটি করে উইকেট। এছাড়া শেখ মেহেদী হাসান ও নাসুম আহমেদ শিকার করেন একটি করে উইকেট।

