ফাইল ছবি
নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যার গোপচর এলাকার জমি নিয়ে দ্বন্দ্বে ছোট ভাই ও স্ত্রী-ছেলে বিরুদ্ধে কুপিয়ে ও গলায় গামছা পেচিয়ে হত্যা চেষ্টায় মামলা করেছেন ৬২ বছরের তারই মেজ ভাই আজিমউদ্দিন প্রধান। তারা দুইজনই শীতলক্ষ্যার গোপচর এলাকার মৃত এস এম আহাম্মদ আলী প্রধানের সন্তান। এদিকে ১১ জুন চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট নারায়ণগঞ্জ সদর আমলী আদালতে সি.আর মামলা দায়ের করেছেন বলে জানিয়েছেন আহত মেজ ভাই।
মামলা সূত্র ধরে জানা গেছে, পরিবারের মেজ ছেলে হিসেবে ১৯৮৪ সালের ১১ মার্চ একটি জমি কিনেন এবং দখলে তার পিতা আহাম্মদ আলী প্রধান ছিলেন। পিতার মৃত্যু পর থেকে আওয়ামীলীগের প্রভাব খাটিয়ে জমিটি দখলের নেয়া চেষ্টা করেন ছোট ভাই নিজাম উদ্দিন প্রধান। অত্যাচারের মাধ্যমে রাজনৈতিক প্রভাব দেখিয়ে উক্ত জমিতে দোকান নির্মাণ করে ভোগ করতে থাকেন ছোট ভাই। ফ্যাসিষ্ট সরকার পতনের পর বড় ভাই আজিমউদ্দিন জমি ফেরত চাইলে ছোট ভাই অস্বীকার করেন।
এর জের ধরে ১০ জুন রাত ৯টায় পূর্ব পরিকল্পিতভাবে দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে মেজ ভাইয়ের বসত বাড়িতে ঢুকে গালিগালাজ করে খুন করার হুমকি দেয় ৪২ বছরের ছোট ভাই নিজামউদ্দিন প্রধান, তার স্ত্রী মরিয়ম বেগম, তাদের ছেলে মোঃ জারির ও মনিরুল ইসলাম সৌরভ। এ সময় ছোট ভাই, তার স্ত্রী ও ছেলে চড় থাপ্পর ও কিল ঘুষি মারে ও হত্যা চেষ্টায় মেজ ভাই আমিজউদ্দিনকে মাথায় কোপ দেয়। একই সাথে কোপের আঘাতে ডান পায়ে হাটু রক্তাক্ত জখম হয়। উত্তপ্ত হয়ে আরো ক্ষিপ্ত হয়ে মেজ ভাই আজিমউদ্দিনকে গলায় গামছা পেচিয়ে শ্বাস রোধ করে হত্যা চেষ্টা কালে চিৎকারে তাকে ছোট ভাই, স্ত্রী-ছেলের কাছ থেকে রক্ষায় ছুটে আসে পরিবার ও আশেপাশে লোকজন।
রক্তাক্ত মেজ ভাই আজিমউদ্দিনকে উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়। ১১ জুন হত্যা চেষ্টা অভিযোগ নিয়ে ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ আদালাতে মামলা দায়ের করেছেন।

