ফাইল ছবি
নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুর রহমানের বিরুদ্ধে ফুটপাতে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ, অন্যের পুকুর দখল, অবৈধ মেলা বসিয়ে মোটা অঙ্কের চাঁদা আদায় এবং মাদক কারবারে মদদ দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে তাঁর এসব অপকর্মের নানা চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, শহরের হাসপাতাল রোড এলাকার ফুটপাতের প্রায় অর্ধশতাধিক খাবারের দোকানে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে প্রতি মাসে অন্তত ৬০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন আব্দুর রহমান। তার এই সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছেন এলাকার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা।
এছাড়া খানপুর বৌবাজার এলাকার মোহাব্বত হাজীর মাঠের পাশে আব্বাস নামে এক ব্যক্তির মালিকানাধীন পুকুরের মাছ বিক্রি করে পরবর্তীতে তা জবরদখল করার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। বর্তমানে পুকুরটি নিজের দখলে রেখে এককভাবে মাছ চাষ ও বিক্রি করছেন তিনি।
অন্যদিকে, চাঁদমারী বৌবাজার সড়কের পাশে কোনো অনুমতি ছাড়াই অবৈধ মেলা বসানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে তার বিরুদ্ধে। মেলায় অন্তত ৩০টি দোকান বরাদ্দ দিয়ে দোকানপ্রতি দেড় থেকে দুই লাখ টাকা পর্যন্ত অগ্রিম জামানত আদায়ের মাধ্যমে মোটা অঙ্কের টাকা পকেটে পুরেছেন তিনি।
স্থানীয়রা আরও জানান, খানপুর বোবার বাড়ির পাশের একটি সংঘবদ্ধ মাদকের স্পট পরিচালনা করছেন আব্দুর রহমানের ছোট ভাই আব্দুর রহিম। মূলত যুবদল নেতা আব্দুর রহমানের প্রত্যক্ষ আশ্রয় ও প্রভাবের বলেই তার ভাই এলাকায় নির্বিঘ্নে মাদকের কারবার চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসী অবৈধ এসব কর্মকাণ্ড বন্ধ এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।

