বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

|

ভাদ্র ১৭ ১৪৩৩

Advertisement
Narayanganj Post :: নারায়ণগঞ্জ পোস্ট

খোরশেদ ছাড়া কেউ যায়নি শাওনের বাড়ি

স্টাফ করেসপনডেন্ট

প্রকাশিত: ১৯:০৩, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আপডেট: ১৯:০৪, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

খোরশেদ ছাড়া কেউ যায়নি শাওনের বাড়ি

শাওনের শাহাদাৎ বার্ষিকীতে কবর জিয়ারত

বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর র‍্যালিতে পুলিশের গুলিতে নিহত যুবদল কর্মী শাওনের শাহাদাৎ বার্ষিকীতে তার কবর জিয়ারত ও পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ। তবে দল ক্ষমতায় আসার পরে প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শাওনের পরিবারের পাশে বিএনপির শীর্ষ নেতাদের না থাকায় সমালোচনা তৈরি হয়েছে। 

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) শাওনের বাড়িতে যান খোরশেদ। 

শাওনের শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে তার কবর জিয়ারত করতে যান মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ। পরে তিনি শাওনের মায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং পরিবারের খোঁজখবর নেন।

শাওনের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নেওয়া হয়। এ সময় শাওনের মায়ের সঙ্গে কথা বলেন খোরশেদ এবং তার পরিবারের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করেন।

এসময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সাবেক যুবদল নেতা শওকত খন্দকার, রানা মুন্সি, রাসেল আহমেদ মনির, মো. মিঠু, কুতুবউদ্দিন, নাহিদ পারভেজসহ আরও কয়েকজন।

২০২২ সালের ১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জে আয়োজিত র‍্যালিতে পুলিশের গুলিতে নিহত হন যুবদল কর্মী শাওন। ঘটনার পর তার মৃত্যু বিএনপির স্থানীয় রাজনীতিতে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। প্রতিবছর তার মৃত্যুবার্ষিকীতে দলীয় নেতাকর্মীদের পক্ষ থেকে নানা কর্মসূচি পালন করা হলেও দল ক্ষমতায় আসার পরে শাওনের পরিবারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখেনি শীর্ষ নেতারা।

শাওনের পরিবারের দাবি, তার মৃত্যুর পর বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে শাওনের নাম সামনে এলেও পরিবারের নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়ার ক্ষেত্রে তেমন তৎপরতা দেখা যায়নি। বিশেষ করে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর র‍্যালিতে নিহত হওয়ার কারণে তার শাহাদাৎ বার্ষিকী দলটির স্থানীয় নেতাকর্মীদের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ হলেও পরিবারের পাশে নিয়মিতভাবে দাঁড়ানোর বিষয়টি আরও গুরুত্ব পাওয়া উচিত বলে মনে করেন তারা।