প্রতীকী ছবি
ঢাকার এক ব্যবসায়ীকে বাসা থেকে বন্দরে ডেকে এনে কোল্ডড্রিং এর সাথে নেশজাতীয় দ্রব্য খাইয়ে ৩টি সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার পর হত্যার উদ্দেশ্য বেদম ভাবে পিটিয়ে ১টি আই ফোন ও ১টি সিমফোনী সেট, এটি কিসলেট ঘড়ি ও নগদ ২০ হাজার ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে। এ ব্যাপারে আহত ভূক্তভোগী ব্যবসায়ী বাদী হয়ে গত শুক্রবার (১৯ জুন) রাতে প্রতারক ৩ ব ব্যবসায়ী বন্ধু শেখ মোহাম্মদ শান্ত, নুরুল ইসলাম কালু ও আব্দুস সালামকে আসামী করে বন্দর থানায় এ মামলা দায়ের করেন । যার মামলা নং- ৩১(৬)২৬ ধারা- ৩৪২/ ৩২৮/ ৪০৬/ ৩৮৫/ ৩৮৬/ ৫০৬ পেনাল কোড- ১৮৬০। আহত ব্যবসায়ী আজমাইন হোসেন সোহাগ ঢাকা ডিএমপি গেন্ডারিয়া থানার সতিসরকার রোড এলাকার আব্দুল রব হাওলাদারের ছেলে। এর আগে
গত মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিকেল পৌনে ৩টায় বন্দর থানার নবীগঞ্জ এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে।
মামলা ও বিভিন্ন তথ্য সূত্রে জানা গেছে, বিবাদীগন মামলার বাদীর আজমান হোসেন সোহাগের পূর্ব পরিচিত ও সম্পর্কে বন্ধু হয়। দীর্ঘ দিন যাবত উল্লেখিত বিবাদীদের সাথে মামলার বাদীর ব্যবসায়ী সম্পর্ক রয়েছে। এর ধারাবাহিকতা গত মঙ্গলবার সকাল ১১টায় সময় ঢাকা জেলার তেজগাও শিল্পাঞ্চল থানার ৪/৪ এফ দক্ষিণ বেগন বাড়ী পলিটেকনিক তেজগাও শিল্পাঞ্চল এলাকার মতিউর রহমান মিয়ার ছেলে শেখ মোহাম্মদ শান্ত ও ঢাকা জেলার হাতিরঝিল থানার ২৮৬/২৩ নয়াটোলা স্টেশন বড় মগবাজার এলাকার হাবিবুল্লাহ মিয়ার ছেলে নুরুল ইসলাম কালু তাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ০১৬৮২৫৫৫৩০৩ নাম্বার হইতে বাদীর মোবাইলে ফোনে দিয়ে বাদীর বর্তমান ঠিকানা বাসা ঢাকা গেন্ডারিয়া থেকে বাদীকে বিবাদীদ্বয়ের সাথে থাকা সিএনজি যোগে দুপুর পৌনে ৩টার দিকে বন্দর থানার নবীগঞ্জে নিয়ে আসে। সেখানে আসার পর উল্লেখিত বিবাদীগন আমাকে কোল্ডড্রিং এর সাথে নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবন করিয়ে বিবাদীড়ন বাদীকে অচেতন করে একই থানার পদুঘর এলাকায় নিয়ে আসে। সেখানে বাদীর জ্ঞান ফিরলে সকল বিবাদীগন বাদীর নিকট ২ কোটি টাকা দাবি করে এলোপাতাড়ি ভাবে পিটিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে নিলাফুলা জখম করে জোর পূর্বক ৩টি সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে ১টি আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্স যার মূল্য ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা, ১টি সিমফোনী বাটান মোবাইল সেট যার মূল্য ২ হাজার টাকা, ১টি কিসলেট ঘড়ি ও নগদ ২০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে। ওই সময় বাদী ডাক চিৎকারে আশেপাশের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে আসলে ওই সময় বিবাদীগন বিকাল সাড়ে ৬টার দিকে কৌশলে পালিয়ে যায়।

