ফাইল ছবি
নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) মিজানুর রহমান মুন্সি বলেছেন, অনেকদিন আগে থেকেই এই অভিযান চলছে। নারায়ণগঞ্জের মাদক নির্মূলে আমরা পুলিশ হেডকোয়ার্টারের নির্দেশে এই অভিযান করছি। এটি আমাদের কন্টিনিউয়াস অভিযান এটি চলছে এবং চলবে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগষ্ট) এক সাক্ষাৎকারে একথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, আমরা অনেক মাদক উদ্ধার করেছি। প্রতি থানায়ই আমাদের প্রতিদিন বিশ জন, পনেরো জন করো এ্যারেস্ট আছে। কখনও রেগুলার মামলা হচ্ছে, কখনও মোবাইল কোর্ট হচ্ছে। আবার ইদানীং সামারি ট্রায়ালও হচ্ছে। আমাদের এই অভিযান চলতেই থাকবে যতক্ষণ মাদকের সমস্যা সহনীয় পর্যায়ে না আসে।
তিনি আরও বলেন, নারায়ণগঞ্জে সাতটি থানার বাইরেও আমাদের ১৩টি ফাঁড়ি রয়েছে। এগুলো পুলিশ ইন্সপেক্টর ইনচার্জ রয়েছে। তাদের এরিয়ায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণে তাদের দায়িত্ব রয়েছে। তারা তাদের দায়িত্ব পালন করছে। সকলের এচিভমেন্ট মিলিয়েই আমাদের সার্বিক সাফল্য।
তিনি বলেন, আমরা পুলিশের সেবা যেন জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে পারি সেজন্য পুলিশ হেডকোয়ার্টারের নির্দেশনায় আমরা কমিউনিটি পুলিশ করেছি। আপনারা জেনে খুশি হবেন আমাদের থানা এবং ওয়ার্ড পর্যন্ত কমিটিগুলো হয়েছে। আমরা মিটিং করছি। কিছুদিন আগে সিদ্ধিরগঞ্জে একটি বিশাল মিটিং করেছি।
তিনি বলেন, এই মিটিংয়ের উদ্দেশ্য মাদক নিয়ন্ত্রণ, কিশোর গ্যাং, ছিনতাই, ডাকাতি এবং সকল প্রকার অপরাধ নিয়ন্ত্রণ। পাশাপাশি পুলিশের সেবাটা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়া। আপনারা জানেন কয়েকদিন আগে বন্দরে একটি হত্যাকান্ডের ঘটনার পরে আমরা সারারাত অভিযান পরিচালনা করে এই যে সিফাত বাহিনী বন্দর এলাকার একটা আতংক সে। সেদিন রাতে আমরা তাকেসহ তার পুরে বাহিনীকে ধরতে পেরেছি। এভাবেই যারা জনগণের শান্তি শৃঙ্খলায় বিঘ্ন ঘটাবে তাদের আমরা আইনের আওতায় নিয়ে আসবো।

