সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

|

আষাঢ় ৮ ১৪৩৩

Advertisement
Narayanganj Post :: নারায়ণগঞ্জ পোস্ট

হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে ঘিরে প্রশ্ন, দেখা মিলল নারায়ণগঞ্জ এসপি কার্যালয়ে

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

প্রকাশিত: ২৩:৩০, ২১ জুন ২০২৬

হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে ঘিরে প্রশ্ন, দেখা মিলল নারায়ণগঞ্জ এসপি কার্যালয়ে

ফাইল ছবি

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানার একটি আলোচিত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি হিসেবে পরিচিত মো. ডালিমকে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে দেখা যাওয়ার ঘটনায় নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।

শনিবার (২১ জুন) সন্ধ্যায় জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয় এলাকায় তাকে অবস্থান করতে দেখেছেন বলে জানিয়েছেন একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী। এ নিয়ে স্থানীয় গণমাধ্যমে সংবাদও প্রচার হয়। 

ডালিম সোনারগাঁ উপজেলার কাঁচপুর ইউনিয়নের কুতুবপুর এলাকার বাসিন্দা এবং প্রয়াত কুদরত আলীর ছেলে।

পুলিশ ও আদালত-সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালের ২৬ অক্টোবর একই এলাকার বাসিন্দা লিটন হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। ঘটনার দুই দিন পর নিহতের বড় বোন রাশিদা বেগম সোনারগাঁ থানায় ২৩ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটির প্রধান আসামি ছিলেন সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি বজলুর রহমান ওরফে ডন বজলু। ওই মামলার দ্বিতীয় আসামি হিসেবে মো. ডালিমের নাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

বর্তমানে মামলাটি অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে বিচারাধীন। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, মামলায় ডালিমের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও কার্যকর রয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, শনিবার দুপুরে একাধিক অভিযোগের প্রেক্ষিতে রাজধানী থেকে জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খাইরুল ইসলাম সজীবকে এসপি অফিসে আনা হয়। তাকে নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আনা হলে সেখানে ডালিমকেও দেখা যায়।

সজীবকে পরবর্তী সময়ে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয়ে নেওয়ার সময়ও ডালিম এসপি কার্যালয় এলাকায় অবস্থান করছিলেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় একাধিক গণমাধ্যম ও উপস্থিতরা। এ সময় সাংবাদিকদের ক্যামেরাতেও তার ছবি ধরা পড়ে।

সজীব আটকের খবর পেয়ে তিনি এসপি কার্যালয়ে যান বলে স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে। সজীবকে নিয়ে যাওয়ার পর তিনি সেখান থেকে চলে যান।

এ বিষয়ে জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) তারেক আল মেহেদী বলেন, ওয়ারেন্টভুক্ত কোনো আসামি পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন কি না, সে বিষয়টি আমাদের জানা নেই। বিষয়টি যাচাই করা হবে। কারও বিরুদ্ধে বৈধ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।