মঙ্গলবার, ২১ মার্চ ২০২৩

|

চৈত্র ৫ ১৪২৯

Advertisement
Narayanganj Post :: নারায়ণগঞ্জ পোস্ট

বন্দরে দুই পক্ষের সংঘর্ষের মামলা প্রত্যাহারের জন্য বাদিনীকে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ 

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

প্রকাশিত: ১৯:০২, ১৭ মার্চ ২০২৩

বন্দরে দুই পক্ষের সংঘর্ষের মামলা প্রত্যাহারের জন্য বাদিনীকে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ 

প্রতীকী ছবি

আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় বন্দরে বেশ উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। সংঘর্ষের ঘটনায় উভয় পক্ষের ৫ জন গ্রেপ্তার হলেও এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আবারও রক্তক্ষয়ি সংঘর্ষের আশংকা প্রকাশ করছে স্থানীয়রা। এর ধারাবাহিকতায়  শুক্রবার (১৭ র্মাচ) দুপুরে  মামলার বাদিনী লতা বেগমকে মামলার প্রত্যাহারে জন্য হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠে  মামলার প্রধান আসামী  ছিচকে সন্ত্রাসী স্ট্যান্ড রাজুসহ তার সন্ত্রাসী বাহিনী বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভ’ক্তভোগী মামলার বাদিনী ওই দিন দুপুরে তাৎক্ষনিক হুমকি বিষয়টি বন্দর থানার অফিসার ইনর্চাজ মোঃ আবু বকর সিদ্দিককে অবগত করেন। এ ব্যাপারে বন্দর ওসি বলেন,সংঘর্ষের ঘটনায় দুই পক্ষের মামলা দায়ের  হয়েছে। দুই মামলার ৫জনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। বাকি আসামীদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যহত রয়েছে।  অন্যায়কারি যে হোক কাউকে কোন প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না।  

এলাকাবাসী জানিয়েছে, বন্দরে নূরবাগ এলাকার ছিচকে সন্ত্রাসী স্ট্যান্ড রাজু ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে উঠেছে এলাকাবাসী।  বন্দরে এমন কোন অপকর্ম নেই যা স্ট্যান্ড রাজু ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী করেনি। আওয়ামীলীগ ক্ষমতা আসার পর থেকে স্ট্যান্ড রাজু রাতা রাতি যুবলীগ নেতা বনে যায়। বন্দরে বিভিন্ন এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করে ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী হিসেবে নিরিহ মানুষের কাছ থেকে  চাঁদা আদায় ও জমি দখল হলো স্ট্যান্ড রাজুসহ তার সন্ত্রাসী বাহিনী প্রধান কাজ। 

মামলার তথ্য সূত্রে জানা গেছে, মামলার বাদিনী লতা বেগম বন্দর র‌্যালী আবাসিক এলাকায় দীর্ঘ দিন ধরে বসবাসকরে আসছে। বাদিনী ছেলে রহিম পেশায় একজন মুরগী ব্যবসায়ী। বন্দর নূরবাগ এলাকার নূরইসলাম মিয়ার ছেলে স্ট্যান্ড রাজু একই এলাকার জব্বর মিয়ার দুই ছেলে রিয়াদ ও রাকিব শাহীমসজিদ এলাকার শেখ শাহিন মিয়ার ছেলে শেখ সিফাত সেলিম মিয়ার ছেলে আলামিন গংদের সাথে দীর্ঘ দিন ধরে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বাদিনী ছেলে মুরগী ব্যবসায়ী রহিমের সাথে পূর্ব শত্রুতা চলছিল। এর ধারাবাহিকতায় গত সোমবার দুপুরে আমার ছেলে রহিম ও তার কর্মচারি বন্দর জামাইপাড়া এলাকার জাহিদ মুরগী বিক্রির বিল দেওয়ার জন্য বন্দর চিতাশাল এলাকায় আসলে ওই সময় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বন্দরে ছিচকে সন্ত্রাসী স্ট্যান্ড রাজু নেতৃত্বে রিয়াদ, রাকিব, শেখা সিফাত, আলামিন, নিরব, মেরাজ, সানি, সাদ্দাম,সোহাগ, বাইতুল, মোকলেস, রাব্বি, নাসির ও সায়েম ধারালো অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে আমার ছেলে ও তার কর্মচারিকে হত্যার উদ্দেশে বেদম ভাবে কুপিয়ে জখম করে। এলাকাবাসীর মাধ্যমে  খবর পেয়ে আমি আমার ছেলেকে বাঁচাতে এগিয়ে আসলে উল্লেখিত সন্ত্রাসীরা আমাকেও বেদম ভাবে পিটিয়ে নিলাফুলা জখম করে। ওই সময় হামলাকারিরা আমার ছেলের সাথে থাকা নগদ ৮০ হাজার টাকা ও ২০ হাজার টাকা মুল্যের একটি এনড্রেয়েড মোবাইল  ফোন স্ট্যান্ড রাজু ও শেখ সিফাত নিয়ে পালিয়ে যায়। এ ছাড়ার আমার ছেলের কর্মচারি জাহিদের কাছ থেকে নগদ ৭ হাজার টাকা ও ১৫ হাজার টাকা মুল্যের একটি এনড্রয়েড রেডমি মোবাইল সেট নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে আমার চিৎকার শুনে স্থানীয় এলাকাবাসী আমাদের উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ জেনালের হাসপাতালে প্রেরণ করলে আমার ছেলে রহিম তার কর্মচারি জাহিদের অবস্থা বেগতী দেখে তাদেরকে দ্রুত ঢামেক হাসপাতালে প্রেরণ করে।