ফাইল ছবি
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নবনির্বাচিত মহাসচিব ও কেন্দ্রীয় কমিটিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন দলের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য এবং নারায়ণগঞ্জ মহানগর সভাপতি মুফতি মাসুম বিল্লাহ ও মহানগর সেক্রেটারি মুহা. সুলতান মাহমুদ।
শনিবার (২৭ জুন) রাজধানীর বিজয়নগরস্থ ফারস হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টসে অনুষ্ঠিত ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার বিশেষ বৈঠকে নতুন কমিটির নাম ঘোষণা করা হয়। পরে এক বিবৃতিতে নারায়ণগঞ্জ মহানগর নেতৃবৃন্দ নবনির্বাচিত নেতৃত্বের প্রতি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
শুরা বৈঠকে সভাপতির বক্তব্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ গতানুগতিক কোনো রাজনৈতিক সংগঠন নয়; বরং শরীয়াহর পূর্ণ অনুসরণ ও বাস্তবায়নই দলের প্রধান লক্ষ্য। শরীয়াহ ও ইসলামকে প্রাধান্য দিয়েই দল রাজনৈতিক কৌশল নির্ধারণ করে এবং সময়ের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি ও দক্ষ নেতৃত্ব গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করে।
তিনি বলেন, “সময় থেকে শিক্ষা নিয়ে আমরা সামনে এগিয়ে যেতে চাই। সেজন্য দলকে আরও সুসংহত করতে হবে। আগামীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দক্ষতা অর্জন করতে হবে। কারণ জাতির প্রত্যাশা পূরণে দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর ধারাবাহিক ব্যর্থতা আমাদের দায়িত্ব আরও বাড়িয়ে তুলছে।”
শুরা বৈঠকে দীর্ঘদিন মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমদকে দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পরিষদ প্রেসিডিয়ামের সদস্য হিসেবে মনোনীত করা হয়। ২০০৮ সাল থেকে মহাসচিবের দায়িত্ব পালনকারী ইউনুছ আহমদের সাংগঠনিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বৈঠকে তাঁর প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।
সভায় ৫৪ সদস্যবিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কমিটির নাম ঘোষণা করা হয়। পরবর্তীতে তাদের মধ্যে দফতর বণ্টন করা হবে বলে জানানো হয়।
এদিকে নারায়ণগঞ্জ মহানগর ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি মুফতি মাসুম বিল্লাহ ও সেক্রেটারি মুহা. সুলতান মাহমুদ এক যৌথ বার্তায় আশা প্রকাশ করেন, নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সাংগঠনিকভাবে আরও শক্তিশালী হবে এবং দেশের মানুষের কল্যাণে কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে। তারা নবনির্বাচিত মহাসচিবসহ কেন্দ্রীয় কমিটির সকল সদস্যের সফলতা কামনা করেন।

