ফাইল ছবি
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি খন্দকার আবুল বাশার টুকুকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
রূপগঞ্জ উপজেলার কায়েতপাড়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিমগাঁও এলাকায় তার পিতা মৃত খন্দকার শুকুর মাহমুদের বাড়ি থেকে খন্দকার আবুল বাশার টুকু (৬০) গ্রেফতার করে রূপগঞ্জ থানা পুলিশ।
তার বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন থানায় বৈষমবিরোধী একাধিক মামলা রয়েছে। এরমধ্যে আওয়ামী ক্যাডার দিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করতে বোমাবাজি, গাড়িতে আগুন, এমনকি পুলিশ, সাধারণ মানুষকে হত্যার অভিযোগ রয়েছে।
২০২৪ সালের ০৫ আগস্ট বাংলাদেশে সংঘটিত ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের আগে আওয়ামী লীগের নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম, দুর্নীতি ও অপকর্মের অভিযোগও রয়েছে আবুল বাশারের বিরুদ্ধে।
আবুল বাশার রূপগঞ্জ উপজেলার তৎকালীন আওয়ামী সরকারের সাবেক বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, রূপগঞ্জ উপজেলা তৎকালীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান শাহজাহান ভুইয়া, রংধনু গ্রুপের মালিক রফিকুল ইসলাম আণ্ডার রফিকের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে দলীয় ফায়দা নিত। দলীয় পদ পেয়ে দিবে বলে দলীয় নেতা-কর্মীদের কাছ থেকেও হাতিয়ে নিতো মোটা অংকের টাকা। দলীয় ক্যাডার বাহিনী ব্যবহার করে গড়ে তুলেছে নামে-বেনামে অবৈধ সম্পদের পাহাড়।
এছাড়াও ক্যাডারদের দিয়ে এলাকায় প্রভাব বিস্তার, জমি দখল, অবৈধ বালু ভরাট, টেন্ডারবাজি ও সাধারণ মানুষের ওপর বিভিন্নভাবে হয়রানি করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
অভিযোগ রয়েছে, নিজের প্রভাব ও অনুসারীদের ব্যবহার করে এলাকার নিরীহ দিনমজুর, স্কুলশিক্ষক ও ব্যবসায়ীদের হয়রানি করা হতো। এমনকি তার দায়ের করা একটি মামলায় সাক্ষ্য দিতে গিয়ে স্থানীয় একটি মসজিদের ইমামও হয়রানির শিকার হয়েছেন। এমন কোন অপকর্ম নাই যে সে করে বেড়াতো।
রূপগঞ্জ থানার ওসি এএইচএম সালাহউদ্দিন বলেন, খন্দকার আবুল বাশার টুকুর বিরুদ্ধে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র হত্যাসহ বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। তাকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

