শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

|

কার্তিক ৭ ১৪৩৩

Advertisement
Narayanganj Post :: নারায়ণগঞ্জ পোস্ট

ফকির জহির হত্যা, প্রমাণ ছাড়া স্লোগানে প্রকৃত অপরাধী আড়ালের শঙ্কা

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

প্রকাশিত: ১১:২৪, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

ফকির জহির হত্যা, প্রমাণ ছাড়া স্লোগানে প্রকৃত অপরাধী আড়ালের শঙ্কা

ফাইল ছবি

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারের কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি ফকির জহির হত্যাকাণ্ডে প্রকৃত জড়িত কারা, তা এখনো পুলিশ কিংবা নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে প্রমাণসহ সুনির্দিষ্টভাবে প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি। এই অস্পষ্টতার মধ্যেই কোনো প্রকার তথ্য-প্রমাণ ছাড়া সাবেক ছাত্রনেতা ও উপজেলা ছাত্রদল নেতা মোবারকের নাম জড়িয়ে স্লোগান দেওয়া নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা ও প্রশ্ন উঠেছে। 

সচেতন মহলের মতে, প্রমাণের আগেই এভাবে নাম ধরে রাজনৈতিক স্লোগান দেওয়ায় মূল বিচারপ্রক্রিয়া ব্যাহত হতে পারে এবং প্রকৃত অপরাধীরা পার পেয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, একটি স্পর্শকাতর হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করা অত্যন্ত জরুরি। তবে তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই রাজনৈতিক বিরোধকে কাজে লাগিয়ে নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে স্লোগান দেওয়া হলে তা জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে। একই সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সামাজিক ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তিও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

এমন পরিস্থিতিতে উপজেলা ছাত্রদল নেতা মোবারককে রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ফাঁসানো ও তাঁর মানহানির চেষ্টা করা হচ্ছে এমন দাবি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরব হয়েছেন দলীয় নেতাকর্মীরা। 

তারা মোবারকের পক্ষে বিভিন্ন পোস্ট দিয়ে বলছেন, কোনো প্রকার কৃত্রিম পারসেপশন (ধারণা) তৈরি না করে সত্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে নিরপেক্ষ তদন্ত পরিচালনা করা হোক। রাজনৈতিক প্রতিশোধ নিতে গিয়ে যেন কোনো নির্দোষ ব্যক্তিকে বলির পাঠা বানানো না হয়।

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সুশীল সমাজের দাবি, কোনো রাজনৈতিক প্রতিহিংসা কিংবা অনুমানের ওপর ভিত্তি করে নয়, বরং নিরেট প্রমাণের ভিত্তিতে ফকির জহির হত্যার বিচার হওয়া উচিত। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তারা বলেন, নিরপেক্ষ ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে। একই সাথে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে ফকির জহির হত্যার মূল রহস্য উদ্‌ঘাটন ও প্রকৃত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই এখন সর্বস্তরের মানুষের প্রত্যাশা।