শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪

|

আষাঢ় ৭ ১৪৩১

Advertisement
Narayanganj Post :: নারায়ণগঞ্জ পোস্ট

লাঙ্গলবন্দ স্নান উৎসব উদযাপনে চলছে শেষ সময়ের প্রস্তুতি

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

প্রকাশিত: ০০:১৪, ১৪ এপ্রিল ২০২৪

লাঙ্গলবন্দ স্নান উৎসব উদযাপনে চলছে শেষ সময়ের প্রস্তুতি

ফাইল ছবি

আসন্ন মহাতীর্থ লাঙ্গলবন্দ স্নান উৎসব উদযাপনে চলছে শেষ সময়ের প্রস্তুতি। বাঙ্গালীর ঐতিহ্য পহেলা বৈশাখের ছুটিকে উপেক্ষা করে সরকারী বিভিন্ন দপ্তরে কর্মকর্তারা লাঙ্গলবন্দে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।

শনিবার সরেজমিনে লাঙ্গলবন্দ এলাকা ঘুরে দেখা গেছে উৎসব আয়োজনের বিশাল কর্মযজ্ঞ। এসব কর্মযজ্ঞের তদারকিতে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন মহাতীর্থ লাঙ্গলবন্দ স্নান উদযাপন পরিষদ ও বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর শাখার নেতৃবৃন্দরা।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ নারায়ণগঞ্জ জেলার সাধারণ সম্পদাক শিপন সরকার শিখন জানান, এখানে পুলিশ প্রশাসন, গোয়েন্দা সংস্থা, উপজেলা প্রশাসন, ওয়াসা, বিআইডব্লিউটিএ, সহ সরকারী দপ্তর গুলোর আন্তরিকভাবে সর্বাত্মক সহযোগীতা করে যাচ্ছে। এখন পর্যন্ত আমরা সন্তোষ্ট। স্নান এলাকায় সর্বাত্মক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। ঘাট গুলোর গভীরতা বৃষ্টিতে নদী কর্তৃপক্ষ কাজ শুরু করেছে। আশা করছি গত বছরের থেকেও এবছর আরো ভালো পরিবেশে স্নান উৎসব উদযাপিত হবে। দেশ বিদেশ থেকে আগত পূর্ণার্থীদের আগমনের কথা মাথায় রেখেই সকল ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য সেলিম ওসমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, এমপি মহোদয় আমাদের সাথে সার্বক্ষনিক যোগাযোগ করে সকল কিছুর পর্যবেক্ষন করছেন, খোঁজ খবর নিচ্ছেন। তিনি লাঙ্গলবন্দ স্নান উৎসবটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য সর্বাত্মক সহযোগীতা করে যাচ্ছেন এজন্য ওনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

এদিকে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(জেনারেল) সাকিব আল রাকিব, বন্দর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাইমিন আল জিহান সরেজমিনে স্নান এলাকার প্রস্তুতি পরিদর্শন করেছেন। বোরবার বিকেল ৩ টায় কেন্দ্রীয় ক্যাম্পে প্রশাসনের দায়িত্বরত সদস্যদের নিয়ে নির্দেশনামূলক জরুরি সভা করবেন। সেখানে উৎসব স্থলের নিরাপত্তায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাগ্রহনের দিক নির্দেশনা প্রদান করা হবে। 
এদিকে লাঙ্গলবন্দ এলাকায় ইতোমধ্যে দূর দুরান্ত থেকে পূর্ন্যার্থীরা আসতে শুরু করেছে। আগামী ১৫ ও ১৬ এপ্রিল মহাষ্টমী স্নান অনুষ্ঠিত হবে। আগত পুর্ণার্থীদের জন্য বিশুদ্ধ খাবার পানি নিশ্চিত করতে বিভিন্ন স্থানে বসানো হয়েছে পানির ট্যাংকি। তৈরী কর হয়েছে ভ্রাম্যমান টয়লেট সহ ঘাট গুলোর পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা কাজ সম্পন্ন হয়েছে।