শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

|

ভাদ্র ১৯ ১৪৩৩

Advertisement
Narayanganj Post :: নারায়ণগঞ্জ পোস্ট

আমলাপাড়ায় ডিবির অভিযানে গাঁজা-অস্ত্র উদ্ধার

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

প্রকাশিত: ১৬:২০, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আপডেট: ১৬:২০, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আমলাপাড়ায় ডিবির অভিযানে গাঁজা-অস্ত্র উদ্ধার

ফাইল ছবি

নারায়ণগঞ্জ শহরের আমলাপাড়ায় একাধিক মাদক মামলার আসামি ফাতেমা বেগম ওরফে ফতে (৬০)-এর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ১ হাজার ৫০০ গ্রাম গাঁজা, পাঁচটি দেশীয় অস্ত্র ও একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। অভিযানের সময় ফতের ছেলে অনিকসহ কয়েকজন পালিয়ে গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টা ৫০ মিনিটের দিকে আমলাপাড়া এলাকায় ফাতেমা বেগম ওরফে ফতের বাড়িতে অভিযান চালায় ডিবি পুলিশের ‘ক’ জোনের একটি আভিযানিক দল।

পুলিশের দাবি, ওই বাড়িতে ফতের ছেলে অনিক ও তার সহযোগীরা অস্ত্রশস্ত্রসহ অবস্থান করে মাদকদ্রব্য কেনাবেচা এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও ছিনতাইয়ের বিষয়ে পরামর্শ করছে—এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযানটি পরিচালনা করা হয়।

অভিযান পরিচালনার সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অনিক ও তার সহযোগীরা বাড়ির দ্বিতীয় তলার ছাদে উঠে দেয়াল টপকে পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বিভিন্ন স্থানে রাখা মাদক ও অস্ত্র উদ্ধার করে।

অভিযানে ১ হাজার ৫০০ গ্রাম গাঁজা, পাঁচটি দেশীয় অস্ত্র ও একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ডিবি পুলিশ।

এ ঘটনায় ডিবির এসআই মফিজুল ইসলাম, পিপিএম বাদী হয়ে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় পৃথক দুটি এজাহার দায়ের করেছেন।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় পলাতক আসামিরা হলেন— আমলাপাড়া এলাকার ইসলাম ও ফাতেমা বেগম ওরফে ফতের ছেলে অনিক (২৫), কালুর ছেলে সুজন (৩৫) এবং ইসলাম-এর স্ত্রী ফাতেমা বেগম ওরফে ফতে (৬০)। মামলায় আরও অজ্ঞাতনামা এক থেকে দুইজনকে আসামি করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযানে উদ্ধার করা আলামতের মধ্যে রয়েছে ১ হাজার ৫০০ গ্রাম গাঁজা, পাঁচটি দেশীয় অস্ত্র এবং একটি মোটরসাইকেল।

পুলিশের দাবি, ফাতেমা বেগম ওরফে ফতের বিরুদ্ধে মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে ২০টির বেশি মামলা রয়েছে। তার ছেলে অনিকের বিরুদ্ধেও একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। অভিযানের পর পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে আইনগত প্রক্রিয়া চলছে। একই সঙ্গে উদ্ধার করা অস্ত্র ও মাদকের উৎস এবং এসবের সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে তদন্ত করছে গোয়েন্দা পুলিশ।