প্রতীকী ছবি
বন্দরে অটোরিক্সা চালক মাসুম রানা(৩৫) মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে। এ ঘটনায় নিহত রিক্সাচালকের স্ত্রী সুমা বেগম বাদী হয়ে গত শনিবার (৪ জুলাই) রাতে ২ জনের নাম উল্লেখ্য করে বন্দর থানায় এ মামলা দায়ের করেন তিনি। যার মামলা নং- ৯(৭)২৬ ধারা- ৩০২/ ২০১/ ৩৪ পেনাল কোড- ১৮৬০। নিহত রিক্সা চালক মাছুম রানা নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের বন্দর থানার ২৬ নং ওয়ার্ডের সোনাচরা এলাকার বাচ্চু মিয়ার ছেলে। হত্যা মামলার আসামীরা হলো ২৬ নং ওয়ার্ড বন্দরের সোনাচরা এলাকার বারেকের ছেলে মোঃ রাসেল(৪০) ও ধামগড় ইউনিয়নের মনারবাড়ি এলাকার খোরশেদের ছেলে সাইফুলকে(৪৩) আসামী করা হয়।
এর আগে গত সোমবার (২৯ জুন).দুপুর ১২টা রামনগর কাজের উদ্দেশ্য বাসা থেকে বের হয়ে উল্লেখিত রিক্সা চালক নিখোঁজ হয়। নিখোঁজের ৬ দিন পর গত শনিবার (৪ জুলাই) দুপুরে বন্দর থানার মদনগঞ্জ-মদনপুর মহাসড়কের ঢাকেশ্বরী এলাকার একটি ডোবা থেকে অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহতের স্ত্রী সুমা আক্তার জানান, আমার স্বামী রিক্সা চালক মাসুম রানা একই থানার ২৬ নং ওয়ার্ডের সোনাচড়া এলাকার বারেক মিয়ার ছেলে রাসেল ও মনারবাড়ী এলাকার খোরশেদ মিয়ার ছেলর সাইফুলসহ তাহাদের সাথে থাকা অজ্ঞাতনামা বিবাদীদের সাথে প্রায়ই চলাফেরা করত। এলাকার মাদক বেচাকেনা ও চুরি ডাকাতিকে কেন্দ্র করিয়া তাহাদের মধ্যে বিরোধ ছিল। এর জের ধরে গত সোমবার (২৯ জুন) দুপুর ১২টা হইতে গত শনিবার (৪ জুলাই) সকাল ১০টার মধ্যবর্তী যে কোন সময় উল্লেখিত বিবাদীগন হত্যা করে লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে বন্দর থানাধীন ১নং ঢাকেশ্বরী সাকিনস্থ জনৈক বিল্লালের চায়ের দোকানের পিছনের ডোবায় মৃতদেহ ফেলে রাখে বলে লোকমুখে জানিতে পারি। উল্লেখিত বিবাদীগনরা চুরি, ডাকাতি ও মাদকদ্রব্য বেচা কেনার সাথে জড়িত রয়েছে বলে এলাকায় জনশ্রুতি আছে।
এ ব্যাপারে বন্দর থানার ওসি জামালউদ্দিন জানান, এ ঘটনায় দুই জনের নাম উল্লেখ করে মামলা হয়েছে। তাদের গ্রেপ্তার পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।#

