মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

|

কার্তিক ১১ ১৪৩৩

Advertisement
Narayanganj Post :: নারায়ণগঞ্জ পোস্ট

ঘুমন্ত কিশোরীর গায়ে গরম পানি ঢেলে ‘হত্যার চেষ্টা’

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

প্রকাশিত: ১৬:৫৪, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

আপডেট: ১৬:৫৫, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

ঘুমন্ত কিশোরীর গায়ে গরম পানি ঢেলে ‘হত্যার চেষ্টা’

ফাইল ছবি

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ঘুমন্ত এক ১৩ বছরের কিশোরীর গায়ে গরম পানি ঢেলে হত্যার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মারাত্মক দগ্ধ অবস্থায় ওই কিশোরী ঢাকা ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

​পুলিশ ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সোনারগাঁ উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের মঙ্গলেরগাঁও কান্দাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা রওশন আরার সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবেশী সোনিয়া আক্তার ও অন্যান্যদের জমিজমাসহ পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এই বিরোধের জেরে অভিযুক্তরা প্রায়ই ভুক্তভোগী পরিবারকে খুন-জখমের হুমকি দিয়ে আসছিল।  গত২৫ সেপ্টেম্বর রোববার দুপুর আনুমানিক দুইটার দিকে রওশন আরা ও তার পরিবারের লোকজন বাড়িতে ছিলেন না। বাড়ি ফাঁকা থাকার সুযোগে অভিযুক্তরা কৌশলে রওশন আরার বসতঘরে প্রবেশ করে। এ সময় শয়নকক্ষের বিছানায় ঘুমিয়ে থাকা ১৩ বছরের শিশু কন্যা আফরিন আক্তারকে হত্যার উদ্দেশ্যে ১ নম্বর অভিযুক্ত সোনিয়া আক্তার তার গায়ে গরম পানি ছুড়ে মারে। এতে শিশুটির কোমরসহ শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে গিয়ে গুরুতর জখম হয়।
​
শিশুর ডাক-চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসার আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে গুরুতর জখম অবস্থায় উদ্ধার করেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন। মেয়ের উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করার পর স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের বিষয়টি জানিয়ে থানায় এসে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগী কিশোরীর মা রওশন আরা।

​এ ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন— সোনিয়া আক্তার (৩৫), স্বামী: জাকির হোসেন; মো. মোস্তফা (৪৫), পিতা: মো. বিল্লাল; শিলা আক্তার (৪০), স্বামী: মো. মোস্তফা এবং জাকির হোসেন (৩৮), পিতা: রহম আলী; যাদের সকলের বাড়ি সোনারগাঁয়ের পিরোজপুর ইউনিয়নের মঙ্গলেরগাঁও কান্দাপাড়া এলাকায়। 

সোনারগাঁ থানার ওসি আব্দুল বারিক বলেন,এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা থানায় অভিযোগ  করেছেন।  তদন্ত চলছে। ঘটনার সত্যতা যাচাই করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে৷