শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

|

মাঘ ৩০ ১৪৩২

Advertisement
Narayanganj Post :: নারায়ণগঞ্জ পোস্ট

নারায়ণগঞ্জে নির্বাচন নিয়ে সন্তুষ্ট প্রার্থীরা

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

প্রকাশিত: ২১:৩৪, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

নারায়ণগঞ্জে নির্বাচন নিয়ে সন্তুষ্ট প্রার্থীরা

ফাইল ছবি

নারায়ণগঞ্জ জেলায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নানা শঙ্কা থাকলেও ভোটগ্রহণ ও ফল ঘোষণা পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো অঘটনের খবর পাওয়া যায়নি। 

সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো—নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো প্রার্থী বা দলের পক্ষ থেকেই আনুষ্ঠানিক আপত্তি বা অভিযোগ উত্থাপন করা হয়নি। এতে করে জেলার সামগ্রিক নির্বাচন পরিস্থিতি নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন অংশগ্রহণকারী প্রার্থীরা।

জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনের মধ্যে চারটিতে জয় পেয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থীরা। বাকি একটি আসনে বিজয়ী হয়েছেন ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী।

নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশর প্রার্থীর মধ্যে। জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আনোয়ার হোসেন মোল্লাকে পরাজিত করে বিএনপির মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু বিজয়ী হন। দিপু ভূঁইয়া পেয়েছেন ১ লাখ ৫৫ হাজার ৪২১ ভোট, আর আনোয়ার হোসেন মোল্লা পেয়েছেন ৯০ হাজার ২৮৯ ভোট।

নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম আজাদ জয়লাভ করেন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ২৪ হাজার ২৯১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী মোহাম্মদ ইলিয়াছ মোল্লা পেয়েছেন ৮১ হাজার ৫৪ ভোট।

নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নান। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৫৫ হাজার ৪০০ ভোট। এ আসনে জামায়াতের প্রার্থী ইকবাল হোসেন ভূঁইয়া পেয়েছেন ১ লাখ ৩৪ হাজার ৯১৮ ভোট।

এই আসনে জয়ী হয়েছেন এনসিপির প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল আমিন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৬ হাজার ১৭১ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশর প্রার্থী মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী পেয়েছেন ৮০ হাজার ৬১৯ ভোট।

নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপির প্রার্থী আবুল কালাম বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ১৪ হাজার ৭৯৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খেলাফত মজলিসর এবিএম সিরাজুল মামুন পেয়েছেন ১ লাখ ১ হাজার ১৯৬ ভোট।

ভোটগ্রহণে ভোটার উপস্থিতি তুলনামূলকভাবে সন্তোষজনক ছিল বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রার্থীদের অনেকেই বলেছেন, প্রশাসনের ভূমিকা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতায় তারা নির্বিঘ্নে প্রচার ও ভোটগ্রহণ শেষ করতে পেরেছেন। ফলাফল ঘোষণার পরও কোনো সহিংসতা বা বিশৃঙ্খলার খবর না থাকায় নারায়ণগঞ্জের এবারের নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।