ফাইল ছবি
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনের মধ্যে চারটিতেই গণ অধিকার পরিষদ এর প্রার্থীরা জামানত হারিয়েছেন। অপর একটি আসনে দলটির প্রার্থী ভোটের মাঠে না থেকে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান। ঘোষিত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, প্রতিটি আসনেই গণ অধিকারের প্রার্থীরা খুবই নগণ্য সংখ্যক ভোট পেয়েছেন।
নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ এর বিভিন্ন আসনে গণ অধিকার পরিষদ প্রার্থী দিলেও ভোটারদের কাছ থেকে তেমন সাড়া মেলেনি। ফলে চারটি আসনেই তারা জামানত রক্ষার ন্যূনতম ভোটের সীমা অতিক্রম করতে ব্যর্থ হন।
নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে গণ অধিকার পরিষদের প্রার্থী কামরুল মিয়া পেয়েছেন মাত্র ১৪২ ভোট। একইভাবে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে মোঃ ওয়াহিদুর রহমান মিল্কী পেয়েছেন ৩১৪ ভোট। এই দুই আসনেই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের তুলনায় ভোটের ব্যবধান ছিল চোখে পড়ার মতো।
এ ছাড়া নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে মোঃ আরিফ ভূঁইয়া পেয়েছেন ১০৬ ভোট এবং নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে মোঃ নাহিদ হোসেন পেয়েছেন ৬৪৩ ভোট। চারটি আসনেই ভোটের সংখ্যা এতটাই কম ছিল যে নির্বাচন আইন অনুযায়ী প্রার্থীদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।
অন্যদিকে নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে গণ অধিকার পরিষদের প্রার্থী ওয়াসিম উদ্দিন নির্বাচনের আগেই সরে দাঁড়ান। তিনি ওই আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)–এর প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপুকে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। ফলে এ আসনে গণ অধিকার পরিষদের কোনো প্রার্থী ভোটের লড়াইয়ে ছিলেন না।
সাংগঠনিক দুর্বলতা, মাঠপর্যায়ে সীমিত প্রচারণা এবং ভোটারদের সঙ্গে কার্যকর যোগাযোগের অভাবের কারণেই গণ অধিকার পরিষদ নারায়ণগঞ্জে আশানুরূপ ফল করতে পারেনি। নির্বাচন শেষে দলটির নেতাকর্মীদের মধ্যে হতাশা থাকলেও ভবিষ্যতে রাজনৈতিক কৌশল পুনর্বিবেচনার কথা বলছেন সংশ্লিষ্টরা।

