সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬

|

কার্তিক ১৭ ১৪৩৩

Advertisement
Narayanganj Post :: নারায়ণগঞ্জ পোস্ট

হোসিয়ারী শ্রমিক রাসেল হত্যায় শামীম ওসমানসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে সাক্ষ্যগ্রহন

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

প্রকাশিত: ১৯:৫৪, ২ নভেম্বর ২০২৬

হোসিয়ারী শ্রমিক রাসেল হত্যায় শামীম ওসমানসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে সাক্ষ্যগ্রহন

ফাইল ছবি

নারায়ণগঞ্জ শহরে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় গুলি করে হোসিয়ারী শ্রমিক রাসেলকে (১৭) হত্যা করা হয়। এ মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামীলীগের সাবেক এমপি শামীম ওসমানসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষগ্রহন শুরু হয়েছে। 

সাক্ষী দিয়েছেন নিহত রাসেলের বাবা পিন্টু রহমান ও প্রত্যক্ষদর্শী দেওভোগ সমিতির সাধারন সম্পাদক সুজন মাহমুদ। 

সোমবার (২ নভেম্বর) নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আবু শামীম আজাদ সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহন করেন।

আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ বলেন, আদালত ২জনের সাক্ষ্য গ্রহন করেছেন। সাক্ষীদের মতে রাসেলকে শামীম ওসমানই তার দলবল নিয়ে গুলি করে হত্যা করেছে। এ মামলার রায়ে নিহত রাসেলের বাবা সর্বোচ্চ সাজা দাবি করেছেন। 

সাক্ষী গ্রহনের সময় আদালতে মামলার ৭জন আসামি উপস্থিত ছিলেন। পলাতক রয়েছেন শামীম ওসমান সহ ২৭জন। পরবর্তী সাক্ষগ্রহন অনুষ্ঠিত হবে ১৪ ডিসেম্বর।

আসামী পক্ষের আইনজীবী এ্যাডভোকেট সাইদুর রহমান বলেন, আদালতে দেয়া সাক্ষীতে মামলার এজাহারনামীয় আসামিদের রাসেল হত্যায় কোন সম্পৃক্ত নেই বলেই প্রতিয়মান হয়েছে। একই সাথে জেরায় বাদী বলেছে পুলিশের লিখা এজাহারে তিনি সুধু স্বাক্ষর দিয়েছেন। 

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগ মার্কেটের সামনে গুলিতে আহত হয় হোসিয়ারী শ্রমিক রাসেল। এরপর ২২ জুলাই ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা যায়। এঘটনায় ২৭ জুলাই নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন রাসেলের বাবা পিন্টু রহমান। তাদের গ্রামের বাড়ি নওগাঁ জেলার মান্দা থানার কশব ভোলাগাড়ী গ্রামে। রাসেল নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগ মার্কেটে হোসিয়ারী কারখানায় অপারেটর হিসেবে কাজ করতেন।