ফাইল ছবি
নারায়ণগঞ্জে জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) জেলার সাতটি থানা ও গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) পরিচালিত অভিযানে মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারী, পরোয়ানাভুক্ত আসামি, নিয়মিত মামলার আসামি এবং অন্যান্য অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানে ১ হাজার ৬৪৫ পিস ইয়াবা, চার কেজি গাঁজা, ৬ বোতল কেরু মদ এবং ৫৬ বোতল ফেয়ারডিল উদ্ধার করা হয়েছে।
জেলা পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে ১১ জন মাদক ব্যবসায়ী, ৩৪ জন মাদকসেবী, আদালতের পরোয়ানাভুক্ত ৯ জন, নিয়মিত মামলার ১৭ জন, অন্যান্য ধারার মামলার ১২ জন, মোবাইল কোর্টের অভিযানে ২ জন এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের সদস্য হিসেবে অভিযুক্ত ২ জন রয়েছেন। এ ছাড়া সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে একজন চোরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, নারায়ণগঞ্জ সদর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাদকসেবী ৬ জন, পরোয়ানাভুক্ত ২ জন এবং নিয়মিত মামলার ৩ জনসহ মোট ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ চার কেজি গাঁজাসহ তিনজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে। এ ছাড়া মাদকসেবী ২ জন, পরোয়ানাভুক্ত ৪ জন, নিয়মিত মামলার ৩ জন, অন্যান্য ধারার মামলায় ৩ জন এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের একজন সদস্যসহ মোট ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশের অভিযানে ১ হাজার ৫২০ পিস ইয়াবাসহ তিনজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই অভিযানে মাদকসেবী ২ জন, পরোয়ানাভুক্ত একজন এবং চুরির অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ থানায় মোট গ্রেপ্তারের সংখ্যা ৭ জন।
বন্দর থানা পুলিশ বিভিন্ন মামলার অন্যান্য ধারায় ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। সোনারগাঁ থানা পুলিশ ছয় বোতল কেরু মদসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করে। এ ছাড়া মাদকসেবী ১৪ জন ও পরোয়ানাভুক্ত একজনসহ মোট ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
রূপগঞ্জ থানা পুলিশের অভিযানে ৫৬ বোতল ফেয়ারডিল ও ১২৫ পিস ইয়াবাসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ছাড়া মাদকসেবী ৮ জন, পরোয়ানাভুক্ত একজন, নিয়মিত মামলার ৫ জন এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের একজন সদস্যসহ মোট ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
অন্যদিকে, আড়াইহাজার থানা পুলিশ মাদক ব্যবসায়ী একজন, মাদকসেবী ২ জন, মোবাইল কোর্টের অভিযানে ২ জন এবং বিভিন্ন মামলার আসামি ৫ জনসহ মোট ১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।
নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) হাবিবুর রহমান জানান, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে জেলার সাতটি থানা ও গোয়েন্দা পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

