শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

|

আশ্বিন ১ ১৪৩৩

Advertisement
Narayanganj Post :: নারায়ণগঞ্জ পোস্ট

কাঁচপুরে আইয়ুব হত্যার ২৪ ঘণ্টায় রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ২

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

প্রকাশিত: ২৩:৪৫, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কাঁচপুরে আইয়ুব হত্যার ২৪ ঘণ্টায় রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ২

ফাইল ছবি

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের কাঁচপুরে আইয়ুব হোসেন (৩৫) হত্যাকাণ্ডের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের মধ্যে একজন আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে পুলিশ। 

গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন- কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী থানার মাস্টারপাড়া এলাকার মৃত মানিক মিয়ার ছেলে মো. শাহিনুর ইসলাম (৩০)। বর্তমানে তিনি সোনারগাঁয়ের কাঁচপুর উত্তরপাড়ায় আলতু মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করেন। অপরজন কাঁচপুর উত্তরপাড়া এলাকার মৃত ছাহাদ আলীর ছেলে মো. জামির হোসেন (৫৭)।

পুলিশ জানায়, গত ১৫ সেপ্টেম্বর সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে স্থানীয়দের কাছ থেকে সংবাদ পেয়ে সোনারগাঁ থানা পুলিশ সোনাপুর জালালাবাদ ঔষধ ফ্যাক্টরির পরিত্যক্ত ভাঙারি গোডাউনের পূর্ব পাশে একটি ডোবা থেকে সাদা প্লাস্টিকের মুখ বাঁধা বস্তাবন্দি রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে। পরে নিহতের পরিচয় শনাক্ত হয়। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী মাহফুজা আক্তার বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের সমন্বয়ে তদন্ত চালিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন এবং দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, শাহীন ও জামিরসহ আরও কয়েকজন আইয়ুব হোসেনকে হত্যার পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ১০টি ইয়াবা ট্যাবলেট ও টাকার বিনিময়ে শাহীনকে ব্যবহার করে আইয়ুবকে তার ভাঙারির দোকানে প্রবেশ করানো হয়। পরে সেখানে পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়। হত্যার পর মরদেহ বস্তাবন্দি করে ঘটনাস্থলের পাশের ডোবায় ফেলে দেওয়া হয় বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

নারায়ণগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) তারেক আল মেহেদী জানান, গ্রেপ্তার শাহিনুর ইসলাম নিজের দোষ স্বীকার করে আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্য সহযোগীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের পাশাপাশি ব্যবহৃত অস্ত্র এবং অন্যান্য আলামত উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।