রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬

|

কার্তিক ২৩ ১৪৩৩

Advertisement
Narayanganj Post :: নারায়ণগঞ্জ পোস্ট

অন্য সব শিশুদের মতো হাটতে চায় আরাফাত: প্রয়োজন শুধু তিন লাখ টাকা 

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

প্রকাশিত: ১১:৫৭, ৮ নভেম্বর ২০২৬

অন্য সব শিশুদের মতো হাটতে চায় আরাফাত: প্রয়োজন শুধু তিন লাখ টাকা 

ফাইল ছবি

কিছুদিন পূর্বেও অন্য সব শিশুদের মতো হাসতো,খেলতো দুস্টুমিতে সারা ঘর মাতিয়ে রাখতো। সেই ছোট্র নয় বছরের শিশুটি আজ হাসপাতালের বেডে শুয়ে আছে। হঠাৎ একটি দূর্ঘটনা শিকার হওয়া  আরাফাত নামের শিশুটি অর্থের অভাবে চিরতরে পঙ্গুত্ব জীবনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

ছোট্ট এই শিশুটি যেনো আগরে মতো হাটতে পারে,চলতে পারে  সেই আশায় মা সকল কিছু উপেক্ষা করে সন্তান কে পঙ্গুত্ব জীবন থেকে মুক্তি দিতে সমাজের মানুষের নিকট সাহায্য বা সহযোগিতা কামনা করেছে।

মাদ্রাসায় পড়ুয়া  শিশু আরাফাত যেনো অতিতের মতো হাটতে পারে,চলতে পারে দুস্টুমিতে সারা ঘর মাতিয়ে তুলতে পারে সে জন্য প্রয়োজন তিন লাখ টাকা।

নারায়নগঞ্জ কে বলা হয়ে থাকে ধনীদের শহর। আর এই ধনী শহরের একটি শিশু অর্থের অভাবে চির জীবনের জন্য পা হারিয়ে পঙ্গু হয়েই কি বেঁচে থাকবে? 

সমাজের বিত্তবানরা না হয় এগিয়ে এলোনা কিন্ত সকলের অল্প অল্প সামান্য সামান্য কিছু অর্থের সহায়তায় হয়তো ছেলেটি সুস্থ হয়ে ফিরবে : অন্যসব শিশুদের মতোই সে বড় হবে হাটতে পারবে। 

আরাফাতের বাড়ী নারায়নগঞ্জ জেলার বন্দর থানার লাঙ্গলবন্দের কানন চিড়াই পাড়া গ্রামে। বাবা নুরুজ্জামান সৌদি প্রবাসী। দুই ভাইয়ের মধ্যে সে ছোট। 

আরাফাতের মা জানান,তাদের সংসারে অভাব ছিলোনা।  আরাফাতের বাবা সৌদি প্রবাসী। কিন্ত ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় বেশ কয়েক মাস যাবৎ তাকে সৌদিতে পালিয়ে বেড়াতে হচ্ছে। ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ায় কাজে ও নিতে চাইছেনা কেউ। তারপর ও তাদের সংসারে অভাব ছিলোনা।হাসিখুশী আনন্দে ছিলো তারা।মড়ার উপর খড়ার আঘাতের মতো গত মাসের ১৫ অক্টোবর মাগরিব নামাজ পরে মসজিদ থেকে বের হয়ে বাসায় ফিরছিলো। হঠাৎ করেই রাস্তার পাশে থাকা একটি দেয়ালের কিছু অংশ 

ধ্বসে গিয়ে মাদ্রাসায় পড়ুয়া আরাফাতের উপরে এসে  পরে। এতে করে প্রাণে রক্ষা পেলেও বাম পায়ে প্রচন্ড রকমের আঘাতপ্রাপ্ত হয়। সংবাদ শুনে তিনি সাথে সাথে আরাফাত কে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্ত পূজার বন্ধ থাকায় 
চিকিৎসকরা তেমন একটা ছিলোনা। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসকের পরামর্শে সাত পাচ না ভেবে মোহাম্মদপুরস্থ হুমায়ন রোডের আলিফা জেনারেল নামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে রাতেই একটি অপারেশন করাতে হয়। গত ২১ দিনে ছেলের চিকিৎসায় প্রায় আড়াই লাখ টাকার মতো ব্যায় হয়ে গেছে। হাসপাতালটির ডাক্তার রফিকুল ইসলাম তার ছেলের চিকিৎসা করছে। ডাক্তার জানিয়েছে আরো দুটি অপারেশন করাতে হবে। সেক্ষেত্রে আরো তিন লাখ টাকার মতে প্রয়োজন। বর্তমান প্রেক্ষাপটে তার কাছে কোন কিছুই নেই যে বিক্রি করে ছেলের চিকিৎসা করাবে। তাই ছেলের সুস্থতার জন্য 

সমাজের মানুষের কাছে সাহায্য কামনা করেছে এক অসহায় মা রোমানা জামান রিতু। সাহায্যের পাশাপাশি সকলের নিকট দোয়া চেয়েছেন আরাফাত যেনো সুস্থ হয়ে অন্য সব শিশুদের মতো বেড়ে উঠতে পারে।

"মানুষ মানুষের জন্য জীবন জীবনের জন্য " আসুন আমরা সকলে মিলে সহোযোগিতা হাত বাড়িয়ে দেই।

শিশু আরাফাতের মায়ের 01624676239(বিকাশ) নাম্বার টিতে যার যতোটুকু অর্থ দেওয়ার সামর্থ্য  হয়  ততোটুকুই সাহায্য করি।

শিশু আরাফাতের  সুস্থ জীবনে ফিরে আসার পথে সহযোগী হই।