বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬

|

কার্তিক ২০ ১৪৩৩

Advertisement
Narayanganj Post :: নারায়ণগঞ্জ পোস্ট

গার্মেন্টস শিল্প ধ্বংসের চেষ্টা হয়েছে: দিপু ভূঁইয়া 

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

প্রকাশিত: ১৬:৫৯, ৫ নভেম্বর ২০২৬

গার্মেন্টস শিল্প ধ্বংসের চেষ্টা হয়েছে: দিপু ভূঁইয়া 

মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু

নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি ও নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু বলেছেন, মজুরি বোর্ড তিন বছর পরপর হয়। সময়মতই মজুরি বোর্ড হয়েছে প্রথম সভাও হয়েছে। আসলে দেশের গার্মেন্টস শিল্প ধ্বংস করার জন্য চেষ্টা হয়েছে। এটা শ্রমিক আন্দোলন নয়। প্রতি তিন বছরে সরকার মজুরি বোর্ড করে। তাদের সিদ্ধান্ত মেনে মালিকেরা বেতন দিয়ে দেয়। গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রি বাংলাদেশ থেকে নেয়ার জন্য তারা চেষ্টা করছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) শ্রমিক আন্দোলন ও চলমান পরিস্থিতি নিয়ে নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের একথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, আমরা সকলে ঐক্যবদ্ধ আছি। আমরা একত্র হয়ে অসৎ কিছু আসলে প্রতিহত করবো এটাই প্রমান হয়েছে আজকে। এখানে ছোট একটি সমস্যা হয়েছে, আমি বড় বলবো না। নারায়ণগঞ্জে প্রায় পাঁচশো গার্মেন্টস সচল। এর মধ্যে ১২/১৩ টি গার্মেন্টসে সমস্যা হয়েছে। এখানেও নব্বই শতাংশ লোক গার্মেন্টস কর্মী না। 

তিনি আরও বলেন, এখানে বিসিক আছে, ইপিজেড আছে। রূপগঞ্জকে রেড এলার্ট করা হয়েছিল, সোনারগাঁও, আড়াইহাজার আছে। সেখানে কোন সমস্যা হয়নি। একটা স্পট তারা আগের থেকেই ইন্ডিকেট করে রেখেছিল। এখানে গন্ডগোল করে তার যেন মূল সড়কে আসতে পারে। আমরা একত্রিত থেকে যেভাবে তাদের প্রতিহত করেছে তাদের ধন্যবাদ জানাই। শ্রমিক ভাইয়েরা তাদের সাথে একমত হননি এজন্য তাদেরও ধন্যবাদ জানাই।

তিনি বলেন, এ সরকার মানুষের ভোট পেয়ে এসেছে। সতেরো বছর গণতন্ত্রকে শেষ করার জন্য বিভিন্ন শিল্পকে শেষ করার চেষ্টা করেছে তারা, পারেনি। মানুষ সচেতন হয়ে গেছে। বাংলাদেশকে দাবিয়ে রাখা যাবে না। 

তিনি আরও বলেন, যেকোন পরিস্থিতিতে ব্যাবসায়ী ভাইয়েরা আমরা একসাথে থাকবো। গার্মেন্টস শিল্পে আমরা অনেকে জড়িত। মালিক একটা ফ্যাক্টরি দিলে হাজার হাজার শ্রমিক থাকে তারা বাংলাদেশের নাগরিক। এদের ঘিরে বাসা ভাড়া দেয়, মুদি দোকান হয়। এটা নষ্ট হলে আমাদের অর্থনীতির ক্ষতি হবে। 

তিনি বলেন, আমি আশা করবো বিরোধীদলের যারা আছেন আমরা একসাথে বলি এই বাংলাদেশ কিন্তু আমাদের। দেশকে অন্ধকার যুগে নিয়েন না। আমাদের সময় দিন, যেন এ দেশকে সম্মানের জায়গায় নিতে পারি।