শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

|

কার্তিক ৮ ১৪৩৩

Advertisement
Narayanganj Post :: নারায়ণগঞ্জ পোস্ট

ফতুল্লায় ১০ বছরের শিশু ধর্ষণের অভিযোগ 

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

প্রকাশিত: ২৩:৩৮, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

ফতুল্লায় ১০ বছরের শিশু ধর্ষণের অভিযোগ 

প্রতীকী ছবি

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ১০ বছর বয়সী এক শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। নির্যাতনের শিকার শিশুটি জীবিকার তাগিদে বেলুন বিক্রি করতো।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) মধ্যরাতে শিশুটিকে চানমারী এলাকা থেকে তুলে নিয়ে শিবু মার্কেট এলাকার একটি বাসায় অচেতন করে ধর্ষণ করা হয়। পরে তাকে রাস্তার পাশে ফেলে রেখে যাওয়া হয়। তবে ঠিক কখন এবং কোথায় তাকে ফেলে যাওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ।

হাসপাতালের বেডে যন্ত্রণায় কাতরাতে থাকা শিশুটি জানায়, সে তার মায়ের সঙ্গে শহরের মিশনপাড়া এলাকায় বসবাস করে। তার মা একটি চকলেট কারখানায় চাকরি করেন এবং নির্যাতিত শিশুটি ও তার ছোট বোন চাষাড়া শহীদ মিনারের সামনে ফুল বিক্রি করে। ঘটনার দিন ছোট বোন বাসায় না ফেরায় তাদের মা তাকে খুঁজে বাসায় নিয়ে আসার জন্য বলেন। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে এক ব্যক্তি এসে ছোট বোনকে খুঁজে দেওয়ার কথা বলে তাকে অটোরিকশায় তুলে নেয়। পরে ওই ব্যক্তি তাকে শিবু মার্কেট এলাকায় নিয়ে রুমাল দিয়ে মুখ চেপে ধরে। ভোরের দিকে জ্ঞান ফিরে এলে সে নিজেকে একটি ঘরের খাটের ওপর শুয়ে থাকতে দেখে।

শিশুটির সঙ্গে হাসপাতালে থাকা ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন জানান, শিশুটি তার ছোট বোনকে খুঁজতে খুঁজতে চানমারী এলাকায় গেলে অজ্ঞাত এক ব্যক্তি তাকে অটোরিকশায় করে শিবু মার্কেট এলাকায় নিয়ে যায় এবং রুমাল দিয়ে মুখ চেপে অচেতন করে। ভোরের দিকে জ্ঞান ফিরলে সে একটি কক্ষের খাটের ওপর নিজেকে আবিষ্কার করে। পরবর্তীতে প্রায় অচেতন অবস্থায় তাকে রাস্তার পাশে ফেলে রাখা হলে এক নারী তা দেখতে পেয়ে তাকে শহরের খানপুর হাসপাতালে নিয়ে আসেন। তবে কর্তব্যরত চিকিৎসক ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কিছু বুঝে ওঠার আগেই ওই নারী হাসপাতাল থেকে চলে যাওয়ায় তার নাম-ঠিকানা পাওয়া যায়নি। এমনকি মেয়েটিকে কখন ও কোথায় পাওয়া গেছে, তাও জানা যায়নি বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। হাসপাতালের চিকিৎসক জানিয়েছেন, শিশুটি ধর্ষণের শিকার হয়েছে।

খানপুর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জানান, শিশুর কোনো অভিভাবককে না পেয়ে বিষয়টি শুক্রবার বিকেলে থানাকে অবহিত করা হয়। তিনি আরও জানান, শিশুটির অবস্থা আশঙ্কাজনক এবং তার প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছে। পরে পুলিশের সহায়তায় শিশুটিকে প্রথমে ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে এবং সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।